মঞ্চ এবং পর্দা, দুই মাধ্যমেই তাঁর অনায়াস যাতায়াত ছিল বিপ্লব দাশগুপ্তর। শিল্পীর প্রয়াণে শোকের ছায়া সংস্কৃতিমহলে। গত দেড় বছর ধরে অসুস্থ ছিলেন অভিনেতা। স্ত্রী রুমা দাশগুপ্ত জানান, শুক্রবার দুপুরে বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন শিল্পী। অটোইমিউন ডিজ়িজ়-এ ভুগছিলেন। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। শিল্পীর প্রয়াণে স্মৃতিচারণায় তাঁর দীর্ঘদিনের সতীর্থরা।
বর্ষীয়ান পরিচালক প্রভাত রায়ের পরিচালিত বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেছিলেন বিপ্লব দাশগুপ্ত। অভিনেতার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন পরিচালক। তাঁর কথায়, 'খুব ভালো মানুষ ছিলেন। আমার সঙ্গে বেশ কিছু কাজও করেছেন। আমি যখন অসুস্থ ছিলাম, আমার মেয়ে একতার কাছে বহুবার খোঁজ নিয়েছেন। বিপ্লব নেই, সত্যিই খারাপ লাগছে।'
অভিনেতার প্রয়াণে মনখারাপ চৈতি ঘোষাল এবং জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অভিনেতার সঙ্গে নানা স্মৃতি হাতড়ালেন চৈতি। শোনালেন এক মজার গল্পও। চৈতি বলেন, 'বিপ্লবদার সঙ্গে তো আমাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। একবার বিপ্লবদা আমার বাড়িতে এসেছিলেন। আমার ছেলে অমর্ত্যর বয়স তখন ৩-৪। বাড়িতে এসেই বাবির সঙ্গে বল ছোড়াছুড়ি শুরু করে দিলেন। বিপ্লবদা এমন মানুষ ছিলেন। আমার সঙ্গে বহুবছর কথা হয়নি। শেষ মেসেজ করেছিলাম বোধহয় ২০২৪ সালে। লিখেছিলাম, তোমার সঙ্গে দরকার আছে। জানি আর দরকার থাকলেও বলতে পারব না।'
বছর দুয়েক আগেই বিপ্লব দাশগুপ্তর সঙ্গে কাজ করেছিলেন জয়জিৎ। সহ-অভিনেতার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ জয়জিৎ। তিনি বলেন, 'খুবই প্রাণচঞ্চল মানুষ বিপ্লবদা। মজা করতে ভালোবাসতেন। মন ভালো নেই একদম...'।