হোয়াইট হাউসের নৈশভোজে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বার্তা, গণতন্ত্রে হিংসার কোনও জায়গা নেই।
শনিবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসির এক হোটেলে হোয়াইট হাউসের নৈশভোজে আচমকা হানা দেয় এক বন্দুকবাজ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালান এক যুবক। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কোনও আঘাত লাগেনি। দ্রুত তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ট্রাম্পের পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-সহ অন্যান্যরা। ওই নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৬০০ অতিথি। সাংবাদিক থেকে শুরু করে জনপ্রিয় অভিনেতা প্রত্যেকেই আমন্ত্রিত ছিলেন। নৈশভোজের পর ট্রাম্পের ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ওই ঘটনায় হুলুস্থুল পড়ে যায়।
ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘ওয়াশিংটন ডিসির হোটেলে হামলার ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স সকলেই সুস্থ ও অক্ষত আছেন জেনে আশ্বস্ত হলাম। আমি আগামী দিনেও তাঁদের সুস্থতা ও দীর্ঘ জীবন কামনা করি। গণতন্ত্রে হিংসার কোনও জায়গা নেই। এই ধরনের সব ঘটনার তীব্র নিন্দা হওয়া উচিত।’ বস্তুত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সখ্য সর্বজনবিদিত। ফলে যেভাবে তিনি এই ঘটনার নিন্দা করলেন সেটা স্বাভাবিক। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যুর পাঁচদিন পর শোকপ্রকাশ করেছিল ভারত। তবে ট্রাম্পের উপর হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেটার নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী।
হোয়াইট হাউসের নৈশভোজে এই হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক প্রশ্ন উঠছে। ট্রাম্পের উপর হামলাকারী আততীয় কে? ইরান যুদ্ধের আবহেও কীভাবে তিনি আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রেসিডেন্টের ইভেন্টে ঢুকে পড়লেন? কোনওভাবে কি এই হামলার সঙ্গে ইরানের যোগ রয়েছে? যদিও ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন, “ঘটনার সঙ্গে কোনও যোগ নেই ইরানের। এটা লোন উলফ হামলা।