দু’-একটি ছোটখাটো ঘটনা ছাড়া ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোট নির্বিঘ্নেই মিটেছে। কিন্তু ভোট মিটতেই শাসক-বিরোধী দুই শিবিরই ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ তুলছে। ইভিএমে কারচুপি নিয়ে সরব হয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে যুযুধান রাজনৈতিক দলগুলির সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, এই প্রথম বাংলায় ইভিএমে জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। ভোটযন্ত্রের গতিবিধি যাতে প্রতিটি মুহূর্তে নজরে রাখা যায় এবং কারচুপির কোনও সুযোগ না থাকে তার জন্যই জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে এবার কোনওভাবেই ইভিএমে কারচুপি করা সম্ভব নয়।
কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় দফার ভোটে কোনও রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঠেকাতে শুধু বুথ বা বুথ সংলগ্ন এলাকায় নয়, বুথমুখী সব রাস্তাতেও ক্যামেরা লাগানো হবে। মূলত ঘিঞ্জি বা ঘনবসতি এলাকায় যে সমস্ত বুথ থাকবে সেই সমস্ত বুথের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। মূলত কলকাতা এবং হাওড়াতেই রাস্তায় অতিরিক্ত ক্যামেরা লাগানোর সিদ্ধান্ত।
২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ। প্রথমদফার মতোই দ্বিতীয় দফার ভোটও যাতে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় সেই লক্ষ্যেই সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। নিজের চোখে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ফের জেলা সফর শুরু করেছেন সিইসি মনোজ আগরওয়াল। প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে শনিবার তিনি আরামবাগে যান। সেখানে তিনি সমস্ত রাজনৈতিক দল, পুলিশ অবজার্ভার, প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন।