• দ্বিতীয় দফা ভোটে বাইক-বাহিনীর নজরদারি, রবিতে পুলিশের ক্লাস নিল কমিশন
    প্রতিদিন | ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • প্রথম দফার ভোট মিটতেই দ্বিতীয় দফার রণকৌশল সাজাতে প্রস্তুত কমিশন। এবার ১৪২ কেন্দ্রকে পাখির চোখ করে পুলিশ ও বাহিনীকে আসন ধরে ধরে কর্তব্য বুঝিয়ে দেওয়া হল। রবিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে সম্পন্ন হয় কমিশনের ‘কো-অর্ডিনেশন’ বৈঠক। কমিশন জানায়, অশান্তি এড়াতে এবার প্রতি কেন্দ্রের অলিগলিতে ঘুরবে বাহিনী। ১৬০ বাইকে ২ জন করে জওয়ান ঘুরবেন পাড়ায় পাড়ায়।

    দ্বিতীয় দফা ভোটে ১৪২ আসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট করানোই আসল লক্ষ্য কমিশনের। সেই সূত্রেই ভোটের আগে থেকে ভোটগণনা পর্যন্ত ভয়মুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে কী করণীয়, তার খুঁটিনাটি উঠে আসে বৈঠকে। কোথায় কত কুইক রেসপন্স টিম, কোথায় কত বাহিনী, পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এদিনের বৈঠকে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসেব দেয় কমিশন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে যাতে কোনও খামতি না থাকে, তাও বুঝিয়ে দেওয়া হয় পুলিশ-বাহিনী।

    বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাড়তি নজর রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে। শুধু ভোটকেন্দ্রে নয়, প্রয়োজনে বুথে যাতায়াতের পথেও বসানো হবে সিসি ক্যামেরা। হিংসা এড়াতে এখানেই থেমে নেই কমিশনের ‘রণকৌশল’। এবার অলিগলিতে ঢুকবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় দফার ভোটে মোট ১৬০ টি মোটরবাইকে চলবে নজরদারি। প্রতি বাইকে থাকবেন ২ জন করে সিএপিএফ জওয়ান। কোথাও কোনও অশান্তি দেখলেই তড়িঘড়ি অ্যাকশন নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাহিনীকে। সঙ্গে অশান্তি মোকাবিলায় পুলিশকেও কী ভূমিকা পালন করতে হবে, তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসাররা। ছিলেন উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার ডিইও। সাধারণ অবজারভার ও পুলিশ অবজারভারদের নিয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের স্পেশাল অবজারভার সুব্রত গুপ্ত ও স্পেশাল পুলিশ অবজারভার এন কে মিশ্রও। উল্লেখ্য, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের চ্যালেঞ্জ নিয়ে জেলায় জেলায় টহলদারি চালাচ্ছে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার মনোজকুমার আগরওয়াল। রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে পৌঁছে যান তিনি। এসডিও অফিসে উচ্চপর্যায়ের পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে এদিন বৈঠক করেন সিও।
  • Link to this news (প্রতিদিন)