২৩ এপ্রিল প্রথম দফার নির্বাচন ছিল রাজ্যে। ভোটগ্রহণ হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরেও। কমিশনের তরফে একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। ২১ এপ্রিলের মধ্যে অর্থাৎ ভোটের দু’দিন আগে থেকে দিঘা, মন্দারমণি এবং তাজপুরে পর্যটকদের সেখানে থাকায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কেউ থেকে গেলেও ভোটের সময়ে বের হওয়া নিষেধ ছিল। মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভাবেই ভোট হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে। ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। সেই সময়ে কি ফের দিঘায় পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে চলেছে?
জেলা প্রশাসন এবং হোটেল মালিকরা জানিয়েছেন, পূর্ব মেদিনীপুরে ভোট মিটে যাওয়ায় আপাতত নতুন করে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। ফলে পর্যটকদের হোটেলে থাকা নিয়ে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয় বলেই মনে করছেন একাধিক হোটেল ব্যবসায়ী।
ওল্ড দিঘার এক হোটেল মালিক দেবব্রত দাস বলেন, ‘প্রথম দফার নির্বাচনের কয়েক দিন আগে কমিশনের তরফে বহিরাগতদের হোটেলে থাকা নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের জন্য এখনও পর্যন্ত কোনও নির্দেশিকা আসেনি। আমরা বুকিং নিচ্ছি।’
দিঘা শংকরপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘আমাদের কাছে আপাতত পর্যটকদের থাকায় নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কোনও নির্দেশিকা আসেনি।’ পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার বলেন, ‘জেলায় যেহেতু দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন নেই, তাই পর্যটকদের প্রবেশের ক্ষেত্রে বা হোটেলে থাকার ক্ষেত্রে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই।’
প্রসঙ্গত, সারা বছরই পর্যটকদের ভিড় থাকে দিঘায়। জগন্নাথ মন্দির হওয়ার পরে থেকে ভিড় আরও বেড়ে গিয়েছে দিঘায়। ৪ মে ভোটের ফল, তার পরে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকের রেজ়াল্ট এবং গরমের ছুটি। তার পরে পর্যটকদের ভিড় বেশ ভালোই জমতে পারে বলে আশাবাদী হোটেল ব্যবসায়ীরা।