আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস ছিল আগেই। সেই মতো রাজ্যের একাধিক জেলায় আজ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত হয়। এরপর বজ্রাঘাতে মৃত্যুর খবর সামনে আসে। মুর্শিদাবাদের খড়গ্রাম থানার বরার গ্রামে বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয়েছে এক মহিলা-সহ দু’জনের। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিন। রবিবার বিকালে দুর্ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম সরানন দাস ও সাবিত্রী ঘোষ। সরাননের বাড়ি কান্দির কল্যাণপুর গ্রামে। অন্যদিকে সাবিত্রীর বাড়ি ববার গ্রামে। রবিবার বিকালে হঠাৎ ঝড় বৃষ্টি শুরু হওয়ায় বরার গ্রামে একটি গাছের নিচে আশ্রয় নেন অনেকে। সেই সময় সেখানে বজ্রপাত হয়। বজ্রাঘাতে পাঁচজন ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। তাঁদের উদ্ধার করে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকেরা ২ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাকিরা কান্দি মহকুমা হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, আগেই হাওয়া অফিস সতর্ক করেছিল, আজ রাজ্যে কালবৈশাখী হতে পারে। প্রবল ঝড়বৃষ্টি হয়েছে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব-পশ্চিম, বর্ধমান, বীরভূম ও উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক এলাকায়। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ৬০ কিলোমিটার বা তার বেশি গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছিল হাওয়া অফিস। আগামিকাল সোমবারও কালবৈশাখীর সম্ভাবনা। মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ রাজ্যের সব জেলায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস। দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর কমলা সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। পূর্বাভাস মতো রাজ্যের একাধিক এলাকায় রবিবার ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। তীব্র দাবদাহের পর ঝড়বৃষ্টিতে পারদ কিছুটা কমবে। বুধবারের মধ্যে তাপমাত্রা তিন থেকে চার ডিগ্রি কমতে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। এই পূর্বাভাসের মধ্যেই মুর্শিদাবাদ থেকে বজ্রাঘাতে মৃত্যুর খবর সামনে এল।