কমিশনের নজরে যাদবপুর-আলিয়া-সহ ৫৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও হস্টেল! কীসের ইঙ্গিত?
প্রতিদিন | ২৭ এপ্রিল ২০২৬
হাতে মাত্র ৩ দিন। তার আগেই আদা জল খেয়ে অভিযানে লেগে পড়েছে নির্বাচন কমিশন। এবার নজরে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনকে (West Bengal Assembly Election) পাখির চোখ করে র্যাডারে ৫৬ টি বিশ্ববিদ্যালয়। আলিয়া, যাদবপুরের মতো বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ক্যাম্পাস, হস্টেলেও চলবে নজরদারি। সূত্রের খবর, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির হস্টেলে বহিরাগতদের আশ্রয় দেওয়া হতে পারে বলে উদ্বেগ রয়েছে কমিশনের অন্দরে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এবার কমিশনের আতসকাচে বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলগুলি।
সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফা ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলগুলিতে বাড়তে পারে বহিরাগত আনাগোনা। এই পরিস্থিতিতে যে সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, সেগুলি হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, বেলগাছিয়ার ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়, কল্যাণীর বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়াও কমিশনের আতসকাচের তলায় রয়েছে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, তেঘরিয়ার হজ টাওয়ার, নিউটাউন হজ হাউস, সল্টলেক যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের যুব আবাস। এছাড়াও ৫৬ টি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলবে কমিশনের কড়া নজরদারি।
প্রসঙ্গত, শনিবার বিধাননগরের তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুর অভিযোগের পরই সল্টলেকের গেস্টহাউস থেকে তিন বহিরাগতকে আটক করেছিল বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ। গেস্ট হাউস সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁরা সকলেই ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ থেকে এসেছেন। বিজেপির তরফে নাকি প্রথম দফা ভোটের আগে বুক করা হয়েছিল ওই গেস্ট হাউসটি। এমনটাই দাবি করেছিল গেস্ট হাউস কর্তৃপক্ষ। সুজিত বসু অভিযোগ করেছেন, ‘ভোট আবহে বহিরাগতদের এরাজ্যে এনে আশ্রয় দিচ্ছে বিজেপি।’ এরপরই নড়েচড়ে বসে বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ। ৩ জনকে আটকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। এবার কমিশনের অন্দরেও ‘বহিরাগত’ উদ্বেগ। দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে বা পরবর্তী সময়ে যাতে কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরমহলেও ঘুরবে কমিশনের চোখ।