• ভোটের প্রচার ঘিরে দেগঙ্গায় সংঘর্ষ আইএসএফ, তৃণমূল কংগ্রেসের
    বর্তমান | ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ভোটের প্রচার করা নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিল দেগঙ্গার হামাদামা বাজার এলাকায়। শনিবার রাতে এনিয়ে আইএসএফ ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষে জখম হন দু’পক্ষের একাধিক কর্মী। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আহত হন দেগঙ্গা থানার পুলিশকর্মীরাও। এরপর শনিবার রাতেই হাড়োয়া-বেড়াচাঁপা রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান আইএসএফ কর্মী-সমর্থকরা। এতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আংশিক নিয়ন্ত্রণে আসে। হাড়োয়া বিধানসভায় এবার তৃণমূল প্রার্থী আব্দুল মাতিনের বিরুদ্ধে লড়ছেন আইএসএফ প্রার্থী পিয়ারুল ইসলাম। ভোটের আগে দুইপক্ষই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে। শনিবার রাতে চাঁপাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের হামাদামা বাজার সংলগ্ন এলাকায় আব্দুল মাতিনের সমর্থনে একটি পথসভা চলছিল। তখন হাড়োয়ার দিক থেকে আইএসএফের একটি বড় রোড শো ওই এলাকায় পৌঁছয়। রোড শোয়ে উপস্থিত ছিলেন দলের চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকি। অভিযোগ, তিনি সেখান থেকে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তৃণমূলের দাবি, মিছিল থেকে হঠাৎই তাদের সভায় হামলা চালানো হয়। আইএসএফ অবশ্য এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এরপরই সংঘর্ষের জেরে দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন কর্মী জখম হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ বাহিনী। অভিযোগ, পুলিশকে লক্ষ্য করেও ইট-পাটকেল ছোড়া হয়। তাতে তিনজন পুলিশকর্মী জখম হন। আইএসএফের চাঁপাতলা অঞ্চলের সভাপতি ইব্রাহিম সর্দার বলেন, আমাদের মিছিল যাচ্ছিল। তখন তৃণমূলের পথসভা থেকে আমাদের উপর হামলা চালানো হয়। আমাদের চারজন কর্মী জখম হয়েছেন। অন্যদিকে তৃণমূল নেতা সাধন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওদের মিছিল যাচ্ছিল বলে আমরা সৌজন্য দেখিয়ে মঞ্চ থেকে বক্তৃতা বন্ধ রেখেছিলাম। কিন্তু তারপরেও আইএসএফের কর্মীরা আমাদের উপর হামলা চালান। চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেন, কর্মীদেরও মারধর করেন। আমাদের অন্তত সাতজন কর্মী জখম হয়েছেন। পুলিশও আক্রান্ত হয়েছে। আমরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারির দাবি জানাচ্ছি। এদিকে, দু’পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
  • Link to this news (বর্তমান)