• বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে পুলিশ পর্যবেক্ষকের গোপন বৈঠক! অভিষেকের হুঁশিয়ারির পরদিনই হাই কোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল
    প্রতিদিন | ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ভোটমুখী বাংলায় পুলিশ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে বিজেপি প্রার্থীর গোপন বৈঠক নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর। রবিবার মগরাহাট পূর্ব এবং পশ্চিম বিধানসভার প্রচারসভা থেকেও এই ইস্যুতে সরব হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার চব্বিশ ঘণ্টা কাটতে না কাটতে এই ইস্যুতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ শাসকশিবির।  

    গত ২০ এপ্রিল, ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পান্নালাল হালদার অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে ডায়মন্ড হারবারের একটি সরকারি লজে বসে কমিশনের পুলিশ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার ও কয়েকজন বিজেপি নেতা। সেই বৈঠকের ভিডিও ও তাঁদের হাতে এসে পৌঁছেছে বলে দাবি করেন তৃণমূল প্রার্থী। কমিশনকে এই মর্মে অভিযোগ জানান তিনি। তৃণমূল প্রার্থীর আরও অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন বিজেপির কথায় তৃণমূল কর্মীদের নামে মিথ্যে মামলা রুজু করছে। অথচ তাঁদের করা অভিযোগের কোনও গুরুত্বই দিচ্ছে না কমিশন। কিন্তু ডায়মন্ড হারবারের মানুষ তৃণমূলের সঙ্গেই রয়েছে।

    এরপর রবিবার মগরাহাট পূর্ব এবং পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারসভা থেকে তোপ দাগেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “ভেবেছিলেন তাঁরা চুপিসারে বৈঠক সেরে ফেলতে পারবেন এবং কেউ টেরও পাবে না। ভেবেছিল ধরা না পড়ে তাঁরা আলাদাভাবে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপির হয়ে কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন। কিন্তু আমি তো সর্বত্র বিরাজমান। আমি মুখোশ খুলে দিয়েছি। সেই গোপন বৈঠকের ভিডিও আপনারা ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে দেখতে পেয়েছেন। যে-ই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছেন, নির্বাচন কমিশন ডায়মন্ড হারবারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এসডিপিও, উস্থি থানার ওসি, ডায়মন্ড হারবার থানার ওসি, ফলতা থানার আইসিকে বদলি করে দিয়েছে। চোরেরা চুরি করে, পুলিশ তাদের ধরে – আর অথচ ব্যবস্থা নেওয়া হয় পুলিশের বিরুদ্ধেই।” এরপরই হাই কোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল। এখন দেখার কী ব্যবস্থা নেয় আদালত।
  • Link to this news (প্রতিদিন)