দ্বিতীয় দফার ভোটের (Second Phase Eelction) আগে ১৫৪৩ জন গ্রেপ্তার। ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের আগে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে, এমন সম্ভাবনা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশেই এই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তালিকায় পূর্ব বর্ধমান জেলার তৃণমূল কাউন্সিলারের নামও রয়েছে। অন্য দিকে এ দিনই দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বুথে বসানো ওয়েব ক্যামেরা খুলে আনা এবং তাতে থাকা তথ্য সংরক্ষণ নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। সোমবার জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট শেষে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই ওয়েব কাস্টিংয়ে ব্যবহৃত ক্যামেরা খুলে গ্রহণকেন্দ্রে জমা দিতে হবে।
বর্ধমান পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার নাড়ুগোপাল ভকত। বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হুমকি দেওয়ার ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের কাছে নাড়ুর নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল বলে খবর। যদিও তৃণমূল কাউন্সিলারের দাবি, মানুষের জন্য তিনি কাজ করেন, তাই তাঁকে গ্রেপ্তার হতে হলো।
১৫৪৩ জনের মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৭৯ জনকে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ধৃতের সংখ্যা ২৪৬ জন। নদিয়ায় ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হুগলি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪৯ জনকে। উত্তর ২৪ পরগনায় গ্রেপ্তার ৩১৯ জন গ্রেপ্তার।
২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। ভোটের পরে বুথে ব্যবহার করা ক্যামেরা নিয়ে এ দিনই স্পষ্ট করে কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, সেক্টর অফিসারদের উপস্থিতিতে ক্যামেরাগুলি খুলে নেওয়া হবে। পরে সেই ক্যামেরা রিসিভিং সেন্টারে জমা দিতে হবে। এই নির্দেশ দ্রুত সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের জানিয়ে কঠোর ভাবে পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের মতে, ভোট-পরবর্তী সময়ে বুথের প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম সুরক্ষিত রাখা এবং তথ্য সংরক্ষণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।