• ‘যে রোগের যে ওষুধ— তা তৈরি’, দ্বিতীয় দফা নিয়েও কনফিডেন্ট মনোজ
    এই সময় | ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • প্রচার শেষ! ২৯ এপ্রিল, আগামী বুধবার দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। ১৪২টি কেন্দ্রে নির্বাচন হবে। এই দফায় নির্বাচন ‘আরও ভালো হবে’ বলে দাবি করলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। সোমবার মনোজকুমার বলেন, ‘সাধারণ মানুষ সচেতন। কোনও ছাপ্পা ভোট হবে না, গন্ডগোল হবে না। পাশাপাশি আমরা সবরকম ব্যবস্থা করেছি। যে রোগের যে ওষুধ তা সম্পূর্ণ তৈরি করা হয়েছে। ঠিক জায়গায় ব্যবহার করা হবে।’

    তিনি জানান, নির্বাচনকে কখনও আলাদা করে ‘ফেজ় ওয়ান’ বা ‘ফেজ় টু’ হিসেবে দেখা হচ্ছে না। গোটা রাজ্যের জন্যই সমানভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফার ভোটে প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং সাধারণ মানুষের যৌথ উদ্যোগে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে—এই অভিজ্ঞতাকেই ভিত্তি করে দ্বিতীয় দফায় আরও জোরদার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক নিজে একাধিক জেলা, গ্রাম--স্পর্শকাতর এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন। তাঁর কথায়, ‘মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার ব্যাপারে প্রবল আগ্রহ রয়েছে। প্রথম দফায় প্রায় ৯৩ শতাংশ ভোটদানের হার এক নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে এবং দ্বিতীয় দফায় অনেক জায়গাতেই মানুষ সেই হার ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে।’

    নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জায়গায় একাধিক অশান্তির প্রসঙ্গে মনোজ জানান, এ ধরনের ঘটনা নতুন নয় এবং প্রথম দফার আগেও কিছু ঘটনা ঘটেছিল। তবে ভোটের দিন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল। তাঁর আশ্বাস, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় রাজ্য ও কেন্দ্রীয় বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত, এবং শেষ পর্যন্ত আইনের শাসনই প্রতিষ্ঠিত হবে।

    অন্য দিকে, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বুথে বসানো ওয়েব ক্যামেরা খুলে আনা এবং তাতে থাকা তথ্য সংরক্ষণ নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। সোমবার জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট শেষে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই ওয়েবকাস্টিং ক্যামেরা খুলে গ্রহণ কেন্দ্রে জমা দিতে হবে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রিটার্নিং অফিসারদের ভোটকর্মীদের বুথ থেকে নির্ধারিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে রিসিভিং সেন্টারে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

  • Link to this news (এই সময়)