তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মিতালি বাগের উপরে আক্রমণের ঘটনায় রিপোর্ট জমা দিল হুগলি জেলা নির্বাচনী আধিকারিক। রিপোর্টে উল্লেখ, দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম সিন্টু সাঁতরা, সনাতন সাঁতরা এবং রাজকুমার রায়। তিন জনই বিজেপি কর্মী বলে সূত্রের খবর।
এ দিন আরামবাগে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি জনসভা ছিল। সেই সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন সাংসদ মিতালি বাগ। যাওয়ার পথেই তাঁর গাড়ির উপরে হামলা করা হয়। গাড়ি কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। জখম হন মিতালি। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় তড়িঘড়ি রিপোর্ট তলব করে কমিশন।
জেলা নির্বাচনী আধিকারিক খুরশিদ আলি কাদরী জানিয়েছেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্বের ফল হতে পারে। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছে, যদিও এ দাবির পক্ষে কোনও প্রত্যক্ষদর্শী এখনও পাওয়া যায়নি। ভোর থেকেই আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক সিএপিএফ মোতায়েন রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ।
এই ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন অভিষেক। আরামবাগের একটি সভা থেকে অভিষেকের হুঁশিয়ারি, ‘যাঁরা এই ঘটনায় যুক্ত, ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বেছে বেছে বার করব।’ পাল্টা বিজেপির দাবি, এই ঘটনায় তাদের দলের কোনও কর্মী, সমর্থক যুক্ত নয়। মিথ্যা রটানো হচ্ছে। ওই এলাকায় তৃণমূলের লোকজন বিজেপির উপরে হামলা চালায় বলে দাবি করা হয়েছে।