• মোথাবাড়ি কাণ্ডে নথি দেখছে NIA, ১৪ দিন জেল মোফাক্কেরুলদের
    এই সময় | ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • এই সময়: ‘সার’ প্রক্রিয়ায় কর্মরত বিচারকদের মালদার মোথাবাড়িতে আটকে রেখে আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগে ধৃত আইনজীবী মোফাক্কেরুল ইসলাম ও এক্রামূল বাগানিকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল এনআইএ–র বিশেষ আদালত। সোমবার কলকাতায় বিচার ভবনে এনআইএ আদালতে ধৃতদের তোলা হলে বিচারক এই নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থাকে বিচারক সুকুমার রায়ের নির্দেশ, আগামী শুনানিতে লিখিত ভাবে জানাতে হবে, ধৃত এই দু’জনের বিরুদ্ধে মোথাবাড়ির ঘটনায় ঠিক কতগুলি মামলা দায়ের হয়েছে। ১১ মে মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালত এই রিপোর্ট দেখতে চায়।

    এ দিন শুনানিতে এনআইএ–র কৌঁসুলি শ্যামল ঘোষ বলেন, ‘আমাদের কাছে কেস ডায়েরি রয়েছে। কিছু ডকুমেন্টও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।’ ধৃতদের আপাতত বিচারবিভাগীয় হেফাজতের পক্ষে আবেদন করেন তিনি। ধৃতদের তরফে আইনজীবী ইমতিয়াজ আহমেদের বক্তব্য, ‘আমাদের সিজ়ার লিস্ট দেওয়া হয়েছে। ওই লিস্ট অনুযায়ী দশটি জিনিস বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। আইনজীবী মোফাক্কেরুলের একটি নোটবুক যাতে ক্লায়েন্টদের মোবাইল নম্বর ও অ্যাকাউন্ট নম্বর রয়েছে, তা এনআইএ বাজেয়াপ্ত করছে। মোফাক্কেরুল ইসলামের ক্লায়েন্টদের কিছু বিল রয়েছে, একটা হাতে লেখা নোট রয়েছে। অফিস রেন্টের ফটোকপি, একটা ভিজিটিং কার্ড, অনলাইন পেমেন্ট রিসিট পেয়েছে এনআইএ।’

    এনআইএ–র আবেদনে আপত্তি জানিয়ে ওই আইনজীবীর সওয়াল, তাঁর মক্কেল ইতিমধ্যেই ২৮ দিন কাস্টডিতে আছেন। এনআইএ মোফাক্কেরুলের ওইদিনের বক্তব্যের যে ভিডিয়ো বাজেয়াপ্ত করেছে, তাতে কোনও ‘হেট স্পিচ’ নেই। আর এক ধৃত এক্রামূল বাগানি সে দিন গোটা ঘটনার ভিডিয়ো আপলোড করেছেন। এনআইএ আইনজীবীর পাল্টা দাবি, ‘ধৃত দু’জন পাঁচ দিন ধরে আমাদের হেফাজতে আছে। আমরা কেস ডায়েরি, সিজ়ার লিস্ট আদালতে সাবমিট করেছি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তদন্ত চলছে। আমরা আরও ১৪ দিনের জুডিশিয়াল কাস্টডি চাই, যাতে প্রয়োজন হলেই সমস্ত নথি যাচাইয়ে প্রয়োজনে এই দু’জনের সঙ্গে কথা বলা যেতে পারে।’ এ দিন কেস ডায়েরি দেখার পরে বিকেলে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

  • Link to this news (এই সময়)