• পুলিশের দল থাকলেও ভরসা নেই, গণনাকেন্দ্রেই তৃণমূলের ক্যাম্প
    এই সময় | ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • এই সময়, নাগরাকাটা: ডিসিআরসিতে ইভিএম ঢোকার পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি নজরদারি চালাতে গণনাকেন্দ্রের ভিতরেই ক্যাম্প খাটালো তৃণমূল। জলপাইগুড়ির মালবাজারের পরিমল মিত্র স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে তৈরি হওয়া ভোট গণনাকেন্দ্রে রীতিমতো পালা করে পাহারা দিচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা। মাঝে মধ্যেই সেখানে আসছেন নাগরাকাটা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সঞ্জয় কুজুর। আর গণনাকেন্দ্রের বাইরে দলবল নিয়ে পাহারা দিচ্ছেন মালবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা প্রাক্তন মন্ত্রী বুলু চিকবরাইক। এখানে এই দুই কেন্দ্রের গণনা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ ছিল, কোনওভাবেই গণনাকেন্দ্র ফাঁকা রাখা যাবে না, কড়া নজরদারিতে রাখতে হবে। সেই নির্দেশ মেনেই শাসকদলের তরফে কেন্দ্রের ভিতরে এবং বাইরে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। যদিও গণনাকেন্দ্রের ভিতরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় সিল করে রাখা হয়েছে ইভিএম। নিরাপত্তায় রয়েছে রাজ্য পুলিশের দলও। কিন্তু এতেও পুরোপুরি ভরসা পাচ্ছেন না তৃণমূল প্রার্থীরা।

    সোমবার পরিমল মিত্র স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেল, বুলু চিকবরাইক এবং সঞ্জয় কুজুর গণনাকেন্দ্রের ভিতরেই তাঁবু খাটিয়েছেন। কম্বল পেতে, সিসিটিভি ক্যামেরার স্ক্রিনে চোখ রেখে দিনরাত পাহারা দিচ্ছেন কর্মীরা। ভোটগণনা শুরু না হওয়া পর্যন্ত এই নজরদারি চলবে বলে শাসকদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁদের দাবি, ইভিএম পরিবর্তন করে কারচুপির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেই সন্দেহ থেকেই পালা করে ডিসিআরসি পাহারা দিচ্ছেন দলীয় কর্মীরা। সঞ্জয় কুজুর বলেন, 'ইতিমধ্যেই একটি সিসিটিভি ক্যামেরা খারাপ হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যা আমাদের সন্দেহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই আমরা কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না।' আর এক তৃণমূল প্রার্থী বুলু চিকবরাইক বলেন, 'কেন্দ্রীয় বাহিনী পাহারা দিলেও আমরা কারও উপরে ভরসা করতে পারছি না। গণনাকেন্দ্রের ভিতরে এবং বাইরে সমান ভাবে আমরা নজরদারি চালাচ্ছি। গণনার আগের দিন রাত পর্যন্ত এই পাহারা চলবে।'

    সঞ্জয় কুজুর বলেন, 'ইতিমধ্যেই একটি সিসিটিভি ক্যামেরা খারাপ হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যা আমাদের সন্দেহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই আমরা কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না।' আর এক তৃণমূল প্রার্থী বুলু চিকবরাইক বলেন, 'কেন্দ্রীয় বাহিনী পাহারা দিলেও আমরা কারও উপরে ভরসা করতে পারছি না। গণনাকেন্দ্রের ভিতরে এবং বাইরে সমান ভাবে আমরা নজরদারি চালাচ্ছি। গণনার আগের দিন রাত পর্যন্ত এই পাহারা চলবে।'

  • Link to this news (এই সময়)