দ্বিতীয় দফার ভোট বুধবার। তার আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের। ভোটে কলকাতা হাইকোর্ট ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে চলতে হবে, রাজ্যের CEO দপ্তর থেকে জারি করা হয়েছে নির্দেশিকা। কোনও ভাবেই অবৈধ জমায়েত করতে দেওয়া যাবে না, কোনও ভোটারকে ভয় দেখানোর মতো অভিযোগ উঠলে, কড়া হাতে তা দমন করতে হবে। কোনও ঝামেলা হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্য নিতে হবে, তা-ও স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনের প্রথম পর্বে পশ্চিমবঙ্গের CEO-র কন্ট্রোল রুমে ভোটারদের ভয় দেখানোর মতো ঘটনার একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে মারধরেরও অভিযোগ ওঠে প্রথম দফার ভোটে। দ্বিতীয় দফার ভোটে কমিশন তাই আরও সাবধানী।
রবিবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় বিজেপি-তৃণমূলের সংঘর্ষের যে অভিযোগ উঠেছে, তা-ও আলাদা করে নজরে রেখেছে কমিশন। অর্জুন সিংয়ের ছেলে পবন সিংয়ের নিরাপত্তারক্ষীর গুলি লাগার ঘটনাও নজরে কমিশনের।
এই সব ঘটনা থেকে কমিশনের আশঙ্কা, দ্বিতীয় দফার ভোটেও দুষ্কৃতীরা নিজ নিজ বিধানসভা এলাকায় ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করতে পারে বা ষড়যন্ত্র করতে পারে। দুষ্কৃতীদের থেকে ভোটারদের বাঁচাতে হবে পুলিশকে। প্রয়োজনে সাহায্য নিতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর, নির্দেশ কমিশনের।