দ্বিতীয় দফায় আরও সতর্ক কমিশন, ‘স্পর্শকাতর’ একাধিক জেলায় ২৬ পুলিশ কর্তাকে বাড়তি দায়িত্ব
প্রতিদিন | ২৮ এপ্রিল ২০২৬
কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া বঙ্গভোটের প্রথমদফা নির্বিঘ্নেই কেটেছে। রাত পোহালেই দ্বিতীয় তথা শেষদফা। দক্ষিণবঙ্গের মোট ৭ জেলার ১৪২ আসন ভোটগ্রহণ। এখানকার বেশ কয়েকটি কেন্দ্র স্পর্শকাতর, রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত। তাই দ্বিতীয় দফা নির্বিঘ্নে সুসম্পন্ন করতে ইতিমধ্যে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গত কয়েকদিনে দু’হাজারেরও বেশি ‘ট্রাবল মঙ্গার’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এবার আরও একধাপ এগিয়ে প্রথম দফার ভোটে কাজ করা ২৬ জন পুলিশ আধিকারিককে দ্বিতীয় দফার ভোটে (West Bengal Assembly Election) কাজ লাগাচ্ছে কমিশন। ইতিমধ্যে কমিশনের তরফে বিস্তারিত জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।
কমিশনের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৬ জন শীর্ষ এই আধিকারিককে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট, কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলা, বারাসত পুলিশ জেলা, বসিরহাট পুলিশ জেলা, বারুইপুর পুলিশ জেলা, পূর্ব বর্ধমান, চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলা-সহ বেশ কয়েকটি জায়গার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিশনের নির্দেশে ইতিমধ্যে এই ২৬ জন শীর্ষ আধিকারিক দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে কোথাও কোথাও রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে জগদ্দল, ভাটপাড়ায় বোমাবাজি, বিজেপি প্রার্থী আক্রান্ত, আরামবাগ, গোঘাটে তৃণমূল সাংসদের উপর হামলার মতো অভিযোগ এসেছে কমিশনের দপ্তরে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগও জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে।
ভোটের দিন, বুধবার যাতে এমন কিছুই না ঘটে, তার জন্য আরও কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রত্যেক জেলা ও পুলিশ কমিশনারেটকে কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ভোটারদের ভয় দেখালেই কড়া ‘অ্যাকশন’ নিতে হবে। দরকারে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে অভিযুক্ত বা অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে। শুধু তাই নয়, পুলিশ পর্যবেক্ষকদেরও বিষয়টিকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।