দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে অশান্তি পাকাতে পারেন, এমন আশঙ্কায় ১,৫৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই তালিকা নিয়ে আপত্তি তুলেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও, মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল জানান, রাজ্যের CEO অফিসে এবং লোক ভবনে (পূর্বতন রাজভবন) প্রচুর অভিযোগ এসেছে একাধিক কেন্দ্র থেকে। সেই অভিযোগের রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে পুলিশের কাছে। পুলিশ গুরুত্ব ও তথ্য যাচাই করে সন্দেহজনক দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করেছে। শেষ দফার ৮টি জেলা থেকেই অভিযোগ এসেছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
এ দিন সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মনোজকুমার বলেন, ‘বিভিন্ন গ্রাম থেকে আমাদের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে কন্ট্রোল রুমে। নির্দিষ্ট ব্যক্তি গন্ডগোল করতে পারেন, এই আশঙ্কায় অভিযোগ আসছে। আমাদের দায়িত্ব সেটা পুলিশকে জানানো। আমরা তো পুলিশকে জানাব। পুলিশ তদন্ত করে দেখবে।…সার্বিক ভাবে পুলিশের দায়িত্ব অবাধ নির্বাচন করানো।’
রাজ্যের CEO অফিস জানিয়েছে, আলাদা করে কোনও তালিকা তৈরি হয়নি। বিভিন্ন জায়গা থেকে যা অভিযোগ আসছে, সেই ভিত্তিতেই পুলিশের কাছে সেই রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে। মনোজকুমার বলেন, ‘এই অভিযোগের মধ্যে অনেকগুলি ভুল বা পক্ষপাতমূলক অভিযোগ হতে পারে। আবার অনেক অভিযোগ সত্য হতে পারে। সেটা পুলিশ যাচাই করে দেখেছে। আমরা কোনওদিন বলি না, এঁকে গ্রেপ্তার করুন, ওঁকে গ্রেপ্তার করুন। আইন কী আছে সেটা আমরা জানি।’
অন্য দিকে, রাজ্যের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত বিভিন্ন DCRC-তে নির্বাচনে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন। কিছু জায়গায় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সমস্যার কথা জানানো হয়েছে। সুব্রত বলেন, ‘কয়েকটি জায়গায় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। আমরা দ্রুত যতটা সম্ভব এই সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করছি।’ বুধবার নির্বিঘ্নেই সব জায়গায় ভোট হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।