আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রথম দফার ভোট অবাধ এবং শান্তিপূর্ণভাবে মিটেছে, ভোটদানের হার ছুঁয়েছে ৯৩%। তবে বাংলায় বিগত কিছু বছরে ভোটে যা ছবি দেখা গিয়েছে, সেই চিত্র এই বছর পাল্টাতে চলেছে, ভোটদানও বেড়েছে।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিশেষ পর্যবেক্ষক তথা নির্বাচন পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত ফলস ভোট নিয়ে আরও একবার সকলকে সতর্ক করে দিলেন। তিনি বলেন, ‘যারা নকল ভোটার রয়েছেন তারা যেন এই অ্যাডভেঞ্চার এবারে করবেন না। আমরা যে ওয়েবক্যামের ব্যবহার করেছি তাতে কেউ যদি ফলস ভোটিং করে তাহলে তার ছবি ভিডিও ক্যামেরার মেমরি চিপে থেকে যাবে। ভোট শেষ হয়ে যাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এর শাস্তি হল একবছর পর্যন্ত জেল। ৩৫০র উপরে হলেই হাইরাইজ বুথ হবে’।
তিনি আরও বলেন, ‘যারা এখনও গ্রেপ্তার হননি তারা তৈরি থাকুন। যদি কেউ অশান্তির অভিপ্রায় নিয়ে থাকেন তাহলে তিনি বিরত থাকুন। যদি তারা গ্রেপ্তার হন তাহলে নির্দিষ্ট ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
দ্বিতীয় দফার এই ভোটপর্ব মূলত শহরতলিতে হবে। ৩০০-র বেশি ভোটার সংখ্যা যেসব বহুতল আবাসনে, সেরকম ৭৯ টা জায়গা বেছে নিয়ে তৈরি হয়েছে বুথ। এবারের ভোটে বাংলার বহুদিনের নির্বাচনী সংস্কৃতি বদলানো হবে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। প্রথম দফায় সেই আশ্বাসবাণী কিছুটা ফলেছে, দ্বিতীয় দফাতেও একই কাজ করতে চাইছে কমিশন।
২৯ এপ্রিল শেষ দফার এই ভোট। ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে। এই পর্বে ভোট রয়েছে- পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলায়।
কোন জেলায় কত আসনে ভোট ?পূর্ব বর্ধমান জেলা (১৬)খণ্ডঘোষ, রায়না, জামালপুর, বর্ধমান দক্ষিণ, বর্ধমান উত্তর, মন্তেশ্বর, কালনা, মেমারি, ভাতার, কাটোয়া, কেতুগ্রাম, মঙ্গলকোট, আউশগ্রাম, গলসি, পূর্বস্থলী উত্তর ও পূর্বস্থলী দক্ষিণ।