• বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোট, কী কী নথি লাগবে ভোট দিতে, এক নজরে দেখে নিন
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ছাব্বিশের নির্বাচনে বাংলায় ২ দফায় ভোটগ্রহণ চলছে। প্রথম দফার নির্বাচনে ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। ২৯ এপ্রিল অর্থাৎ বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে সাতটি জেলার মোট ১৪২টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ চলবে।  সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট প্রক্রিয়া চলবে।

    নির্বাচন কমিশন ভোটারদের জন্য একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছে, যাতে নির্বিঘ্নে ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।ভোটার কার্ড সঙ্গে না থাকলেও আপনি ভোটদান করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে বিকল্প কিছু নথির কথার কথা উল্লেখ করেছে কমিশন। সেগুলির মধ্যে যে কোনও একটি সঙ্গে নিয়ে বুথে গেলেই আপনি ভোট দিতে পারবেন। তবে তার জন্য ভোটার তালিকায় আপনার নাম থাকতে হবে।

    সাধারণত ভোট দিতে গেলে ভোটার কার্ড এবং ভোটার স্লিপ সঙ্গে রাখা প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই কমিশনের নিযুক্ত বুথ স্তরের আধিকারিকরা (বিএলও) বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার স্লিপ বিতরণ করেছেন। এ বছর কোনও রাজনৈতিক দল নয়, শুধুমাত্র বিএলও-রাই এই স্লিপ বিতরণের দায়িত্বে ছিলেন। ফলে ভোটারদের সেই স্লিপ নিয়েই বুথে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    তবে কোনও কারণে ভোটার কার্ড সঙ্গে না থাকলেও চিন্তার কিছু নেই। যদি ভোটার তালিকায় নাম থাকে, তা হলে বিকল্প পরিচয়পত্র দেখিয়েও ভোট দেওয়া যাবে। নির্বাচন কমিশন এ ক্ষেত্রে ১২ ধরনের বৈধ পরিচয়পত্রের অনুমোদন দিয়েছে।

    এর মধ্যে রয়েছে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, পেনশন সংক্রান্ত ছবি-সহ নথি, ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের পাসবই (ছবিসহ), ১০০ দিনের কাজের জব কার্ড, কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারি কর্মীদের পরিচয়পত্র, শ্রম মন্ত্রকের প্রকল্পের স্মার্ট কার্ড, স্বাস্থ্য বিমার স্মার্ট কার্ড, সাংসদ বা বিধায়কদের দেওয়া সরকারি পরিচয়পত্র এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য কেন্দ্রের দেওয়া পরিচয়পত্র।

    নিরাপত্তার স্বার্থে বুথের ভিতরে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই ভোটারদের মোবাইল না নিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে ভালো। তবে প্রয়োজনে বুথের বাইরে মোবাইল জমা রাখার বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এছাড়া আগ্নেয়াস্ত্র বা অন্য কোনও বিপজ্জনক বস্তু নিয়েও বুথে প্রবেশ করা যাবে না।

    এমনকি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা প্রয়োজন মনে করলে স্মার্ট ডিভাইস—যেমন স্মার্ট ঘড়ি বা হেডফোন—নিয়েও বুথে ঢুকতে বাধা দিতে পারেন। তাই ভোট দিতে যাওয়ার সময় অপ্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে না নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। সব মিলিয়ে, ভোটারদের সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, যাতে প্রত্যেকে নির্বিঘ্নে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)