আজ, বুধবার পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন। এ দফায় ৭ জেলার মোট ১৪২টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ। প্রথম দফা যদি বিজেপির মাঠ হয়, এবার ভোট ঘাসফুলের। কলকাতা ও আশেপাশের জেলাগুলি তৃণমূলের অভেদ্য দুর্গ। রাজনৈতিক মহলের মতে, এ দফায় যারা এগিয়ে যাবে, নবান্নের দখল শেষ পর্যন্ত তাদের হাতেই থাকবে। আরও একটা কথা মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, এ দফাতেই সেই মেগা লড়াই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম
৩ পয়েন্টে দ্বিতীয় দফা
রেকর্ড ভোটদান: গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ৯৩.২ শতাংশ ভোট পড়েছে। যা স্বাধীনতার পর সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় দফার জেলাগুলি কি পারবে ৯০ শতাংশ পেরোতে?
কাঁটায় কাঁটায়: ২০২১ সালে ১০টি আসনে জয়ের ব্যবধান ছিল অত্যন্ত সামান্য। মাত্র ৫৩,৭৩৭ ভোট। এর মধ্যে ৬টি তৃণমূল এবং ৪টি বিজেপি জিতেছিল।
রাজ্যের প্রথম দফার ভোট হয়েছিল ১৬টি জেলায়। এর মধ্যে ছিল উত্তরবঙ্গ এবং জঙ্গলমহলের আসনগুলি। যেখানে গতবার দারুণ ফল করেছিল গেরুয়া শিবির।
এদিকে, দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে কলকাতার ও সংলগ্ন জেলাগুলির আসনে। তৃণমূল নেত্রীর দুর্ভেদ্য গড় হিসেবে পরিচিত। তাই এই দফাতেই বিজেপির আসল পরীক্ষা। কেন? সেটা একটা পরিসংখ্যান দিলেই বোধগম্য হবে।
২০২১ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয় আসনগুলির মধ্যে বিজেপি মাত্র ১৮টি আসনে জয় পেয়েছিল। উল্টোদিকে ১২৩টি আসনে জিতে জয়ের হ্যাটট্রিক করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। শুধু কলকাতাই নয়, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব বর্ধমানে খাতা পর্যন্ত খুলতে পারেনি বিজেপি। এতে স্পষ্ট, এই অঞ্চলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনভিত্তি ঠিক কতটা মজবুত। গত নির্বাচনে উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে বিজেপি তৃণমূলকে টেক্কা দিলেও দক্ষিণবঙ্গের লড়াইয়ে কার্যত আত্মসমর্পণ করেছিল।
চুম্বকে দ্বিতীয় দফা- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের দুর্গ রক্ষায় চেষ্টার খামতি রাখেননি। ওদিকে, বিজেপিও বাংলার ক্ষমতা দখলে মরিয়া। ফাইনাল রাউন্ডের হিসেবনিকেশই ঠিক করে দেবে বাংলা তখতে প্রত্যাবর্তন না পরিবর্তন।