নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: একইদিনের ঘটনা। পক্ষপাতিত্ব, দুব্যর্বহারের অভিযোগে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদচ্যূত করতে রাজ্যসভার ৭৩ জন সাংসদ নোটিস দিয়েছিলেন রাজ্যসভার সচিবালয়ে। ওইদিনেই (গত ২৪ এপ্রিল) রাজ্যসভার আম আদমি পার্টির সাংসদ রাঘব চাড্ডা দলের আরও ছয় সদস্যকে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন। যার জেরে সংসদের উচ্চকক্ষে আম আদমি পার্টির সাংসদ সংখ্যা ১০ থেকে কমে হয়েছে তিন। বিজেপির বেড়ে ১১৩। এনডিএ’র সাংসদ সংখ্যা দাঁড়াল ১৪৮।
ফলে ২৪৫ আসন বিশিষ্ট রাজ্যসভায় এবার আর সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিল পাশ করানো আর কঠিন নয় মোদি সরকারের। রাঘব চাড্ডারা বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় রাজ্যসভায় যে বিজেপির আসন বাড়ল, তা রাজ্যসভার ওয়েবসাইটে জানিয়েও দিয়েছেন চেয়ারম্যান তথা দেশের উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণান। কিন্তু জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুটিতে কেন এখনো নীরব? মঙ্গলবার প্রশ্ন তুলল বিরোধীরা। বিষয়টি নিয়ে বিজেপি বিরোধী সাংসদরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখছেন। ভোট মিটলেই এ ব্যাপারে রাজ্যসভা সচিবালয়ে চাপ দেওয়া হবে বলে ঠিক হয়েছে।
জ্ঞানেশ কুমারকে তাঁর সাংবিধান পদ থেকে সরাতে বিজেপি বিরোধী লোকসভার ১৩০ জন সাংসদ এবং রাজ্যসভার ৬৩ সাংসদ পৃথকভাবে দুই সচিবালয়ে নোটিস দিয়েছিলেন। কিন্তু দুটিই খারিজ করে দিয়েছেন যথাক্রমে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণান। তাই এখন ফের নোটিস দিয়েছে বিরোধীরা। তবে এবার স্রেফ রাজ্যসভায়। কিন্তু সেটির ভবিষ্যৎ কী? এখনো স্পষ্ট করেনি রাজ্যসভা সচিবালয়।