হোয়াইট অর্কিড ভূমি কার্শিয়াংয়ে টয় ট্রেনে বিশেষ ভ্রমণের সূচনা, দেখানো হবে চা বাগান, বনাঞ্চল, মিউজিয়াম
বর্তমান | ২৯ এপ্রিল ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: চা বাগান থেকে বনাঞ্চল। রেডিও স্টেশন থেকে নেতাজির স্মৃতিবিজরিত বাড়ি। এহেন হোয়াইট অর্কিড ভূমি কার্শিয়াংকে বিশ্বের পর্যটকদের সামনে তুলে ধরতে উদ্যোগী দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে এবং বনদপ্তর। মঙ্গলবার তারা যৌথভাবে সূচনা করেছে তিন দিনের বিশেষ ভ্রমণ। তাতে শামিল হয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ১৫ জন ট্যুর অপারেটর। ডিএইচআরের ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী বলেন, বিশ্বের পর্যটন মানচিত্রে কার্শিয়াংকে জনপ্রিয় করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দার্জিলিং জেলার দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে কার্শিয়াং পাহাড় অন্যতম। এখানে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের সদর কার্যালয়, টয় ট্রেনের কারশেড, মিউজিয়াম থেকে ডাউহিল ফরেস্ট, রেডিও স্টেশন রয়েছে। পাহাড়ের গা-জুড়ে বিস্তীর্ণ চা বাগান। দিগন্তজুড়ে সবুজ আর সবুজ। আর ডাউহিল ফরেস্ট মানেই গা ছমছম করা পরিবেশ। পাশেই গিদ্দাপাহাড়। এখানেই নজরবন্দি ছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। এসবের বাইরে এখানে প্রচুর পরিমাণে হয় অর্কিড। এখানকার হোয়াইট অর্কিডের কদর রয়েছে যথেষ্ট। এজন্য এই এলাকা হোয়াইট অর্কিড ভূমি হিসেবেও চিহ্নিত। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি নিয়ে বনদপ্তরের সঙ্গে যৌথভাবে বিশেষ ভ্রমণের আয়োজন করেছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তা চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।
ডিএইচআর সূত্রে খবর, সংশ্লিষ্ট ভ্রমণে দক্ষিণ ভারত সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্যুর অপারেটররা এসেছেন। তাঁদের কখনও গাড়িতে, আবার কখনও টয় ট্রেনে চাপিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি দেখানো হবে। টয় ট্রেন, চা বাগানের ইতিহাস তুলে ধরা হবে। বনাঞ্চলের জীব বৈচিত্রের কথাও শোনানো হবে। তাঁরা ট্রেকিংও উপভোগ করতে পারবেন। বিভিন্ন রাজ্যের ও বিদেশি পর্যটকদের কার্শিয়াংমুখী করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যটন শিল্পে আগামীতে এর সুফল মিলবে বলেই ডিএইচআরের প্রত্যাশা।