• ইভিএম বিভ্রাট, ভোট দিতে না পেরে বেরিয়ে গেলেন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী
    প্রতিদিন | ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শুরু হতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইভিএম বিকলের অভিযোগ সামনে এসেছে, যার ফলে এদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছয়। ইভিএম বিভ্রাটের শিকার হওয়ায় বুধসকালে ভোট দিতে পারলেন না বারাসতের বিদায়ী বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তীও।

    আগেই খবর মিলেছিল যে, বুধবার সকাল সকাল চারুচন্দ্র কলেজে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে যাবেন চিরঞ্জিত। কিন্তু ইভিএম খারাপ হওয়ায় আপাতত ভোট দিতে পারেননি চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। জানা যায়, শেষমেশ বুথ বেরিয়ে যান। পরে দুপুর নাগাদ ফের আসবেন। উল্লেখ্য, রাজ্যে শেষ দফা নির্বাচনের সকাল থেকেই কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, নদিয়া-সহ একাধিক জায়গা থেকে ইভিএম বিভ্রাটের খবর প্রকাশ্যে আসে। যার জেরে সময় গড়িয়ে গেলেও বহু জায়গায় ভোটগ্রহণ শুরু করতেও দেরি হয় বলে জানা গেল। কোথাও আবার ভোটগ্রহণের সময়েই ইভিএম বিভ্রাট দেখা যায়। ফলত, ভোটের লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করায় ক্ষোভ ছড়ায় সাধারণ মানুষদের মধ্যেও। এমনকী বহু জায়গা থেকে ভোটারদের সঙ্গে ভোটকর্মীদের সঙ্গে বচসার খবরও জানা যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের নজরেও এসেছে বিষয়টি।

    প্রসঙ্গত, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী বারাসত কেন্দ্রের হ্যাটট্রিক করা বিধায়ক। রাজ্যে রাজনৈতিক বদলের সূচনালগ্ন থেকে যাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারের সূত্রপাত। হ্যাটট্রিক পেরিয়ে তাঁর কাছে চতুর্থবারের প্রস্তাব পৌঁছলেও ছাব্বিশের ভোটে আর প্রার্থী হতে চাননি বারাসতের বিদায়ী তারকা বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। সিনেজগৎ থেকে স্রেফ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় রাজনীতির মাঠে নেমে পড়া চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর সাফল্যও কিন্তু যথেষ্ট নজরকাড়া। ২০১১ সালে রাজ্যের পালাবদলের সময় থেকেই তিনি সিপিএম প্রার্থীদের হারিয়ে বিধায়ক হয়েছেন। ২০১৬ ও ২০২১ সালেও বারাসতবাসী তারকা বিধায়ককে পেয়েছেন। যদিও একুশের আগেও চিরঞ্জিত ভোটযুদ্ধ থেকে সরে আসার কথা বলেছিলেন, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর উপরই ভরসা রেখে ফের প্রার্থী করেছেন। সেই ভরসার দামও দিয়েছেন চিরঞ্জিত, ভোট জিতে। তবে এবারের ভোটমহারণ থেকে দূরে তিনি।
  • Link to this news (প্রতিদিন)