এই সময়: প্রচলিত ফুড ডেলিভারি অ্যাপগুলির পরিষেবায় গ্রাহকদের 'কোয়ালিটি' এবং 'কোয়ান্টিটি', দুই ক্ষেত্রেই আপস করতে হচ্ছিল। পাশাপাশি, সেই অ্যাপগুলিতে যাঁরা কাজ করেন, কর্তৃপক্ষ তাঁদের উপযুক্ত খেয়াল রাখেন না বলেও অভিযোগ।
প্রধানত, যে দুই বিষয় মাথায় রেখে ২০২১-এ বেঙ্গালুরুতে তিনি জ়িন্টা ফুড ডেলিভারি অ্যাপ চালু করেন বলে জানিয়েছেন লক্ষ্মণ জয়সওয়াল। কালক্রমে যা ছড়িয়ে পড়ে মুম্বই, দিল্লি-সহ পুরো ভারতেই।
বংশানুক্রমে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা হলেও একদমই বাংলার ভূমিপুত্র লক্ষ্মণ জয়সওয়াল তারপরেও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন কলকাতা-তথা এ রাজ্যে ব্যবসায় পা রাখার জন্য।
অবশেষে অন্য শহরের তুলনায় অনেক বড় করে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ সম্পূর্ণ নিজস্ব অফিস ও স্টাফ দ্বারা পরিচালিত পরিকাঠামো নিয়ে সম্প্রতি জ়িন্টার পথচলা শুরু করেছেন তিনি। যেখানে গ্রাহকদের খাদ্যের গুণমান ও পরিমাণে যথোপযুক্ত নজর দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি সংস্থার। সংস্থার দাবি, কর্মীদের প্রতি নজর দিতে প্রত্যেককে জীবনবিমার আওতায় আনার পাশাপাশি তাঁদের কমিশন বাড়ানোর মতো পদক্ষেপও করা হয়েছে।