• 'ধীরে হচ্ছে ভোটগ্রহণ, হয়রানি বাড়ছে ভোটারদের', সোনারপুরে অভিযোগ তুললেন প্রার্থী লাভলি মৈত্র
    News18 বাংলা | ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • দক্ষিণ ২৪ পরগনা, সোনারপুর: ভোটগ্রহণে ধীরগতি, ভোটার হয়রানির অভিযোগ লাভলি মৈত্রের। সকাল থেকেই সোনারপুর দক্ষিণের বিভিন্ন ভোটগ্রহণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী লাভলি মৈত্র। একাধিক বুথ ঘুরে দেখে তিনি অভিযোগ করেন, বেশ কিছু জায়গায় ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া ধীরগতির, ফলে ভোটারদের অযথা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। দ্রুত ও নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণের দাবিও জানান তিনি।

    সোনারপুর দক্ষিণে লাভলির হয়ে প্রচারে নিজে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটপ্রচারে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘সোনারপুর আমার সোনার খনি। আমার জীবনে অনেক দিন এই সোনারপুর মাটিতে কেটেছে। আমি ৬ বার নির্বাচিত হয়েছি সোনারপুর এর মাটি থেকে। এটা তৃণমূল কংগ্রেস এর কর্মভূমি, জন্মভূমি। তাই সোনারপুর স্পোর্টিং ক্লাব এ আমি আসি। অনেক অত্যাচার সহ্য করছি বিজেপির। বিজেপি যখন নেমেছে সারা দেশের সরকার, সারা দেশের পুলিশ, সারা দেশের এজেন্সি লাগিয়েছে। দিল্লি থেকে এল মোটা ভাই সঙ্গে এল ed, cbi। বিজেপির পরিবার দেখে দেখে নিয়ে আসছে অবজার্ভার নিয়ে। বলছে তৃণমূল এর নেতাদের গ্রেফতার করো, গাঁজা কেস দাও। ২ লক্ষ পুলিশ ফোর্স কে নিয়ে আসতে হয়েছে। সব বহিরাগত? কেন হিন্মত নেই?’

    তিনি আরও বলেন, ‘লাভলি টিভিতে কাজ করেন। এলাকাও করে। নতুন যারা হয়, নতুন বাড়িতে ঢুকতে একটু ভুলভ্রান্তি হতেই পারে। আমার কি ভুল হয়নি? পরে সেটা শুধরে নেওয়ার সময় দিন। ও পার্টির খুব অনুগত। আমি দেখেছি, বিধানসভায় লাভলি এবং ফিরদৌসি প্রতিটা অধিবেশনে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত থাকে। তখন ও সিরিয়াল বাদ দিয়ে এই কাজটা করে। মানুষের কাজ করা বড় কাজ। আজ যে অপরদার্থগুলো দাঁড়িয়েছে শীতলকুচিতে থাকাকালীন ভোটের দিন ৪ জন গুলি করে মেরেছে। নামও নিতে চাই না। কাল হেরে গিয়ে বাবু আজ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবে। দূরদর্শনটা দখল করে নিয়েছে।বাংলা ভাষায় কথা বললেই এখানে নাকি অনুপ্রবেশকারী দের কারখানা। বর্ডার কার হাতে? কেন্দ্রের হাতে। তৃণমূল যদি চোর হয় তাহলে তুমি সুপার ডাকাত। রেল বাজেট উঠিয়ে দিয়েছেন। বাংলা ভাষায় কথা বললে বিহার, উত্তর প্রদেশ, ওড়িশায় অত্যাচার হয় কেন?’

    মমতার অভিযোগ, ‘বিজেপি রাজ্যে মাছ-মাংস বন্ধ করেছ কেন? মাছে ভাতে বাঙালি এটা তাদের সঙ্গে থাকবে। তোমরা কারা? বহিরাগতদের কারখানা এখানে বাংলা করতে দেবে না। ২০২৫-এ যারা এসেছেন তাদের কেন ভোটাধিকার দিচ্ছেন? যে ৩২ লক্ষ তুলে দিয়েছি তার মধ্যে শুনছি ভানিস কুমার বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। ওরা আমাকে লড়তে পারে না তো আপনাদের কি লড়বে? বহিরাগতরা আমাদের সঙ্গে পারবে না। এবারও দুরন্ত খেলা হবে।’
  • Link to this news (News18 বাংলা)