তীব্র দাবদাহে হাজারদুয়ারিতে কমেছে পর্যটক, বিপুল ক্ষতি ব্যবসায়ীদের
প্রতিদিন | ৩০ এপ্রিল ২০২৬
বৈশাখের তীব্র দাবদহ। সঙ্গে ভোটের আবহ। কার্যত পর্যটকের দেখা নেই মুর্শিদাবাদের হাজার দুয়ারিতে। ফলে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে পর্যটন ব্যবসায়ীদের। ঘোরার পায়ের টগবগ শব্দ যেন নিস্তব্ধ। শীতের মরসুম পড়তেই ভিরে ঠাসা থাকে নবাবের শহর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad)। শুধুমাত্র যে শীতের মৌসুমে থাকে এমন নয়, দুর্গাপুজোর পরবর্তীতে বিভিন্ন ছুটির সময় এছাড়াও ইদেও ভিড় উপচে পড়ে এই হাজারদুয়ারিতে। মার্চ মাসেও ইদের সময় ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। পর্যটক ভিড়ে যানজট হয়ে পড়েছিল নবাবের শহর। অথচ এপ্রিলের শেষ মুহূর্তেই এসে পর্যটকহীন হয়ে পড়েছে হাজারদুয়ারি (Hazarduari)।
শুধুমাত্র যে হাজারদুয়ারি এমন নয়, নবাবের শহরে আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ইতিহাসের নানা নিদর্শন, সেগুলিও এখন খাঁখাঁ করছে। ভোটের মরসুম ও অত্যাধিক গরমের কারণে পর্যটকহীন হয়ে পড়েছে কাটরা মসজিদ, মতিঝিল পার্ক, কাঠগোলাপ বাগান, জগৎ শেঠের বাড়ি-সহ একাধিক স্মৃতিসৌধে। তীব্র গরমে পর্যটকের সংখ্যা কমে যাওয়ায় চিন্তার ভাঁজ টাঙা চালকদের। কিভাবে তারা ঘোরার খাবার জোগাবে সেই চিন্তায় মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। শুধুমাত্র যে চিন্তা বেড়েছে টাঙা চালকদের মনে এমন নয়, পর্যটকহীন হয়ে পড়ায় সমস্যার মুখে গাইড, টোটো চালক থেকে হোটেল ব্যবসায়ীরাও।
সূত্রের খবর, হাজারদুয়ারির প্রায় ১৮ জন কর্মী নির্বাচনের কাজে গিয়েছেন। যদিও খোলা রয়েছে হাজারদুয়ারি। তবে, হাজারদুয়ারির প্রবেশের টিকিট কাউন্টার কার্যত শূন্য। দেখা নেই পর্যটকদের। মুর্শিদাবাদ ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, ”এসআইআর প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই হাজারদুয়ারি প্রায় পর্যটক শূন্য হয়ে পড়েছে। ১৮ জন কর্মী নির্বাচনের কাজে গিয়েছেন। পর্যটক না আসার কারণে হাজারদুয়ারি পর্যটন কেন্দ্রিক নির্ভরশীল টাঙা চালক, টোটো চালক, রেস্টুরেন্ট, হোটেল ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির সম্মুখীন। ভোট সম্পূর্ণভাবে না মেটা পর্যন্ত এরকম চলবে বলে মনে হয়।” গরমে বিপত্তি আরও বেড়েছে।