• নিরাপত্তায় কোনও খামতি নয়! ভোটের পরেও বাংলায় মোতায়েন থাকছে ৭০০ কোম্পানি বাহিনী
    প্রতিদিন | ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • বোমা-গুলির শব্দ নয়! একেবারে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখল বাংলার মানুষ। কিন্তু চ্যালেঞ্জ অন্য জায়গায়। গত নির্বাচনের পরেই ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। যা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় কমিশনকে। কার্যত অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার ভোট মিটে যাওয়ার পরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। জানা যাচ্ছে, ৭০০ কোম্পানি বাহিনীকে মোতায়েন রাখা হচ্ছে ভোটের পরেও। এদিকে দ্বিতীয় দফার ভোটের শেষবেলায় বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে ফোন করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

    আজ, বুধবার দ্বিতীয় দফায় ৭ জেলার ১৪২টি বিধানসভা আসনে ভোট ছিল। এই দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট দানের হার ৮৯.৯৯ শতাংশ। প্রথম দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৮৯.৯৩ শতাংশ। অন্যদিকে এই দফাতে কোনও জায়গাতেই বড় কোনও অশান্তির খবর সামনে আসেনি। কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটলেও কড়া হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুধু তাই নয়, রাজ্য পুলিশকেও কার্যত ‘দাবাং’য়ের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে। ভোটের পরেও যাতে এই পরিস্থিতি বজায় থাকে সেজন্য ৭০০ কোম্পানি বাহিনীকে বাংলায় মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত কমিশনের। একবার্তায় কমিশন জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাহিনী রাজ্য মোতায়েন থাকবে। নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।

    অন্যদিকে দ্বিতীয় দফার ভোটের শেষবেলায় বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে ফোন করে নির্বাচনের পুক্ষানুপুঙ্খ খোঁজ নেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। শুধু তাই নয়, সবাই যাতে ভোট দিতে পারে তা নিশ্চিত করতে সুব্রত গুপ্তকে নির্দেশ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার দেন বলে খবর। এরপরেই সুব্রত গুপ্ত জানান, সন্ধে ৬টার পর কোনও ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের লাইন থাকলে ভোটগ্রহণ অব্যাহত থাকবে। কমিশনের বক্তব্য, সন্ধে ৬টার পর ভোট দেওয়া যাবে না বলে অনেকে ভুয়ো খবর রটাচ্ছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ পর্যবেক্ষককে ফোন করে বিশেষ এই নির্দেশ দেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।
  • Link to this news (প্রতিদিন)