নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও সংবাদদাতা, বারুইপুর: মডেল ভোটকেন্দ্র না বিয়ে বাড়ি। গোলাপি রঙের প্যান্ডেল। দু’দিকে চেয়ার পাতা। এহেন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে বেজায় খুশি ভোটাররা। তাঁদের বক্তব্য, এখানে শুধু খাওয়ার ব্যবস্থা নেই। আর সব আছে। নতুন ভোটারদের মধ্যেও এই ভোটকেন্দ্র নিয়ে চর্চা। তাঁরা বলেন, প্রথমবার ভোট দিতে আসা সার্থক হল। এমনই চিত্র গড়িয়ার বরদাপ্রসাদ স্কুল ও বারুইপুরের ফুলতলায় বিডিও অফিস সংলগ্ন এলাকায় ধরা পড়েছে। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ভোটাররা।
এই মডেল কেন্দ্রে ঢুকলে নজরে আসবে দু’ধারের কাট আউটে ভোট দেওয়ার নানা বার্তা। রাখা হয়েছে সেলফি জোন। সোনারপুর উত্তর কেন্দ্রের বরদাপ্রসাদ হাইস্কুলে গোলাপি মণ্ডপের উপর থেকে ঝুলছে ছোটো ছোটো ঝাড়বাতি। সঙ্গে চলছিল হালকা মিউজিক। রাখা হয়েছিল আইসক্রিমের স্টলও। বারুইপুরের ভোটকেন্দ্রের সেলফি জোনে ছোটো শিশুকে নিয়ে মা দেদার সেলফি তুলছেন। সেলফি তুলছেন যুবক যুবতীরা। কেউ আবার ভিডিয়ো মোবাইলে তুলে তা পরিবারকে দেখাচ্ছেন। চেয়ারে বসে মহিলা ভোটাররা গল্পে মেতেছেন। যেন এক উৎসবের পরিবেশ। দেওয়া হয়েছিল একাধিক ফ্যান। জলের ব্যবস্থাও ছিল। বারুইপুরের ভোটকেন্দ্র থেকে শতাব্দী দাস নামে এক ভোটার বললেন, ‘সত্যি এই রকম ভোটকেন্দ্রে এলে মন ভালো হয়ে যায়। কী নেই? সব আয়োজন করেছে প্রশাসন। গরমে পাখা ও জল খুবই প্রয়োজনীয়। সেগুলি রয়েছে।’ কলেজ পড়ুয়া অনুশ্রী সরকার এবার নতুন ভোটার। তিনি বলেন, ‘প্রথমবার বিধানসভা ভোট দিতে এলাম। দারুণ সাজানো ভোটকেন্দ্র। ভোট দিয়ে পাখার নীচে দাঁড়িয়ে বিশ্রাম। পাশাপাশি, নিয়ম মেনে লাইন। সুন্দর পরিবেশে ভোট দিয়ে মন খুশি।’ প্রবীণ ভোটার মানস ঘোষ বলেন, ‘কষ্ট করে ভোট দিতে আসা সার্থক হল। সত্যি মডেল ভোটকেন্দ্র। এই রকম কেন্দ্র আরও দরকার। প্রশাসনকে এর জন্য অনেক সাধুবাদ।’ যুবক অর্ঘ্য চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘অনেক বার ভোট হয়ে গেল। কিন্তু এইরকম ভোটকেন্দ্র আগে পাইনি। দারুণ সাজানো গোছানো ভোট কেন্দ্র।’