নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: দু’বছর আগে লোকসভা ভোটে পার্থ ভৌমিকের কাছে ৬৪ হাজার ভোটে হেরেছিলেন অর্জুন সিং। বিধানসভা ভোটে, পার্থ ভৌমিকের শিষ্য তৃণাঙ্কুরের সঙ্গে লড়াইয়ে নেমেছেন তিনি। অর্জুন ভোটের দিন এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত ছুটে বেড়ালেন। ইছাপুরের মায়াপল্লিতে মহিলাদের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয় তাঁকে। শুনতে হল ‘জয় বাংলা’ স্লোগান। বিশাল গাড়ির কনভয় নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে বিভিন্ন বুথে ঘুরে দফায় দফায় উত্তেজনা সৃষ্টির অভিযোগ উঠে তাঁর বিরুদ্ধে।
মণিরামপুরের বেনিয়াপাড়ায় তৃণমূলের ক্যাম্পে বসেছিলেন উত্তর বারাকপুর পুরসভার কাউন্সিলার সঞ্জীব সিং এবং তৃণমূলের কর্মীরা। অর্জুন সিং গাড়ি থেকে নামতেই তাঁর সঙ্গীরা সঞ্জীব সিংয়ের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে মারধর করে বলে অভিযোগ। শুধু এখানে নয়, উত্তর বারাকপুর পুরসভার কাউন্সিলার সুপ্রিয়া দাসের ওয়ার্ডেও একইরকম ভাবে হামলা চালানোর অভিযোগ ওটে। সেখানে তাঁর স্বামীকে মারধর করা হয়। শুধু কর্মীরা নয়, নোয়াপাড়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। বিজেপির এক কর্মীর বিরুদ্ধে তাঁকে ইট দিয়ে মারতে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। অত্যন্ত স্পর্শকাতর এলাকা হিসাবে পরিচিত নোয়াপাড়া প্রায় গোটা দিন উত্তপ্ত ছিল।
তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর বড়মার মন্দিরে পুজো দিয়ে বুথে বুথে ঘুরলেও নৈহাটির ওয়ার রুমে বসে ভোট পরিচালনা করেন সাংসদ পার্থ ভৌমিক। অর্জুন সিং এর বক্তব্য, তৃণমূলের নেতা কাউন্সিলাররা বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে থেকে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন। তাই প্রতিবাদ করা হয়েছে। নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে এবারও অর্জুন তৃণাঙ্কুরের লড়াই হলেও আসল লড়াই হল পার্থ এবং অর্জুনের মধ্যেই। এখন দেখার শেষ হাসি কে হাসে। নিরাপত্তারক্ষীদের নিয়ে ঘুরছেন অর্জুন সিং।-নিজস্ব চিত্র