• ইভিএমে নালিশ, অবজ়ার্ভার বললেন, ‘ইংরেজিতে বলুন’
    এই সময় | ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • এই সময়: কোথাও বিগড়লো, কোথাও বেগড়বাই করায় বদলাতেও হলো। অবশ্য ভোটে ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন)-নিয়ে এমন সমস্যা নতুন নয়। কিন্তু বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটে আরও কিছু অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক বাধল। ভিভিপ্যাটের স্লিপ বেরোনোর আগে ভোটারদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ারও অভিযোগ উঠল। অবজ়ার্ভারকে ফোন করেও লাভ হয়নি। বাংলা বোঝেন না বলে তিনি ফোন কেটে দেন। ফলতায় ইভিএম-এ টেপ লাগানোর অভিযোগ ওঠে। কোথাও তৃণমূলের নির্দিষ্ট বোতামে কালি লাগিয়ে রাখারও অভিযোগ উঠেছে।

    বুধবার পানিহাটি কেন্দ্রের সোদপুরের একাধিক বুথে অভিযোগ ওঠে, ভোট দেওয়ার পরে স্লিপ বেরোতে দেরি হচ্ছিল। কিন্তু তার আগেই ইভিএম-এর বিপ শব্দ হচ্ছিল। তার পরেই ভোটকর্মীরা বেরোনোর জন্যে ভোটারকে তাড়া দিচ্ছিলেন। এক ভোটার প্রশ্ন করেন, ‘ভিভিপ্যাটের স্লিপ বেরোনোর আগে যদি বেরিয়ে যাই, তা হলে পরের ভোটার তো এসে দেখবে আমি কাকে ভোট দিয়েছি।’

    তাঁর অভিযোগ, ‘কোনও কথা না শুনেই আমাকে বের করে দেওয়া হয়। আরও কয়েক জন ভোটারকেও তাই করা হয়। বাইরে এসে আমি কমিশনের হেল্পলাইনে ফোন করি। কিন্তু ওই নম্বরগুলিতে কোনও ভাবেই ফোন ঢোকেনি।’ তখন তিনি সেখানকার অবজ়ার্ভারকে ফোন করেন। ওই ভোটারের অভিযোগ, ‘অবজ়ার্ভার আমাকে বলেন, ইংরেজিতে বলতে হবে। বললাম ইংরেজি জানি না। তিনি কোনও জবাব না দেওয়ায় বাধ্য হয়ে কোনও রকমে ইংরেজিতে সমস্যা বোঝানোর চেষ্টা করি। তিনি বলেন, একটি বুথের এক জন ভোটারের অসুবিধার জন্যে তাঁর কিছু করার নেই।’

    নদিয়ার চাকদহ, কল্যাণী কেন্দ্রেও অবশ্য এ রকম নানা অভিযোগ ওঠে। ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাট নতুন করে সেট করার পরে সমস্যা মেটে। তবে সর্বত্রই পুরো প্রক্রিয়ায় অনেক সময় লেগেছে বলে অভিযোগ। কিছু বুথে ভিভিপ্যাটের স্লিপ বেরোনোর আগে ভোটারদের বেরিয়ে যেতে বলা হলেও তাঁরা রাজি হননি। কলকাতার বেশ কয়েকটি বুথে মক পল হওয়ার পরে ইভিএম বিগড়ে যায়। ফলে বেশ কিছুক্ষণের জন্যে ভোটদান বন্ধ রাখতে হয়। তবে শেষ পর্যন্ত ভোট-যন্ত্র ঠিক করে নির্বিঘ্নেই ভোট শেষ হয়।

  • Link to this news (এই সময়)