ভোট মিটতেই উত্তেজনা বেহালা পশ্চিমে। বুধবার রাতে তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলার-সহ বেশ কয়েক জনকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। বেহালার ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের রামকৃষ্ণপল্লি খরকাটা গলির কাছে এই ঘটনা ঘটে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
তৃণমূলের অভিযোগ, এ দিন তাদের কয়েক জন কর্মী সেখানে বসেছিলেন। সেই সময়ে একদল যুবক এসে হামলা চালায়। দলীয় কর্মীদের উপরে হামলার খবর শুনে বেরিয়ে আসেন সেখানকার কাউন্সিলার সংহিতা দাসের স্বামী প্রাক্তন কাউন্সিলার অঞ্জন দাস। তাঁকেও বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
বেহালা পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘আধলা ইট আর লাঠি নিয়ে বেধড়ক মেরেছে। কোনও কারণ নেই এ ভাবে মারার। অঞ্জনদা-সহ পাঁচ জনকে বেধড়ক মেরেছে। একজনের মাথায় তো কম করে ১২টা সেলাই পড়েছে। তাঁর অবস্থা খুবই খারাপ।’ অঞ্জন দাসের স্ত্রী সংহিতার কথায়, ‘ইটবৃষ্টি চলে সেখানে। রড, লাঠি নিয়ে এসে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে।’ বিদ্যাসাগর হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা চলছে। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি।
যদিও বিজেপির দাবি, তাঁদের কর্মীদেরই মারধর করা হয়েছে। বিজেপি নেতা দেবজিৎ সরকার বলেন, ‘অঞ্জন দাস লোকজন নিয়ে গিয়ে বিজেপি কর্মী প্রসেনজিৎ ব্রহ্মর উপরে আক্রমণ করেন। ১৫৪ নম্বর বুথের পোলিং এজেন্ট ছিলেন প্রসেনজিৎ। তাঁর বাড়িতে লোকজন নিয়ে গিয়েও হামলা করা হয়। প্রসেনজিৎকে বাঁচাতে মানুষ এগিয়ে আসেন। রাতে প্রসেনজিৎকে বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে বাঙুরে স্থানান্তরিত করা হয়। আমাদের কাছে ছবি আছে। কে মেরেছে, কেন মেরেছে সব জানি।’