বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সিআইএসসিই দশম শ্রেণির আইসিএসই এবং দ্বাদশ শ্রেণির আইএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছে। চলতি বছরে এই দুই পরীক্ষায় মোট ৩ লক্ষ ৬২ হাজার ৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে আইসিএসই পরীক্ষায় ২,৯৫৭টি স্কুল থেকে ২,৫৮,৭২১ জন এবং আইএসসি পরীক্ষায় ১,৫৫৩টি স্কুল থেকে ১,০৩,৩১৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন।
ফলাফলে দেখা গিয়েছে, দুই পরীক্ষাতেই পাশের হার ৯৯ শতাংশের বেশি। আইএসসি পরীক্ষায় মোট পাশের হার ৯৯.১৩ শতাংশ, যেখানে ছাত্রীদের পাশের হার ৯৯.৪৮ শতাংশ এবং ছাত্রদের ৯৮.৮১ শতাংশ। অন্যদিকে আইসিএসই পরীক্ষায় মোট পাশের হার ৯৯.১৮ শতাংশ; ছাত্রীদের পাশের হার ৯৯.৪৬ শতাংশ এবং ছাত্রদের ৯৮.৯৩ শতাংশ। দুই ক্ষেত্রেই ছাত্রীদের ফল তুলনামূলকভাবে ভালো হয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আইএসসি পরীক্ষায় ৫৪,১১৮ জন ছাত্র (৫২.৩৮%) এবং ৪৯,১৯৮ জন ছাত্রী (৪৭.৬২%) অংশ নেন। আইসিএসই পরীক্ষায় ১,৩৭,৫০৩ জন ছাত্র (৫৩.১৫%) এবং ১,২১,২১৮ জন ছাত্রী (৪৬.৮৫%) পরীক্ষায় বসেন।
অঞ্চলভিত্তিক ফলাফলে দ্বাদশ শ্রেণির আইএসসি পরীক্ষায় দক্ষিণাঞ্চলের রাজ্যগুলি সর্বোচ্চ পাশের হার (৯৯.৮৭%) অর্জন করেছে, তার পরেই রয়েছে পশ্চিমাঞ্চল (৯৯.৫৫%)। অন্যদিকে আইসিএসই পরীক্ষায় পশ্চিমাঞ্চল শীর্ষে (৯৯.৮৫%), এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণাঞ্চল (৯৯.৮১%)।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের মধ্যেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখা গেছে। আইএসসিতে ৩০৫ জন লার্নিং ডিফিকাল্টি থাকা পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৬ জন এবং ২২ জন দৃষ্টিহীন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯ জন ৯০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়েছে। আইসিএসইতে ১,৩১৩ জন লার্নিং ডিফিকাল্টি থাকা পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৩২ জন এবং ৫৪ জন দৃষ্টিহীন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৭ জন ৯০ শতাংশের বেশি নম্বর অর্জন করেছে।
বোর্ড জানিয়েছে, ১ মে থেকে ৪ মে পর্যন্ত উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করা যাবে। পাশাপাশি, জুন-জুলাই মাসে উন্নতির জন্য পুনরায় পরীক্ষায় বসার সুযোগও থাকবে।