স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,বুধবার রাতে হলদিয়া পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। অফিসের চেয়ার-টেবিল, ব্যানার-ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকালে দলীয় কার্যালয়ের দরজা খুলতেই চোখ কপালে ওঠে তৃণমূল কর্মীদের। তাঁরা দেখতে পান, পার্টি অফিসের ভিতরে ছড়িয়ে আছে ভাঙা চেয়ার টেবিল। মাটিতে লুটিয়ে তৃণমূলের ঝাণ্ডা। পরপর ভাঙা জানলার কাচ। তৃণমূলের দাবি, রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে। ঘটনায় হলদিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে তৃণমূল।
হলদিয়া শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জ্যোতিপ্রসাদ দাসের অভিযোগ, “শেষ দফার ভোট (WB Assembly Election 2026) শেষ হতেই বিভিন্ন এক্সিট পোলে বিজেপিকে এগিয়ে দেখানো হচ্ছে। তারপরই রাতের অন্ধকারে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমাদের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পার্টি অফিস ভাঙচুর করেছে।” শাসকদলের সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে হলদিয়া মণ্ডল ৪-এর সভাপতি কার্তিক দাস বলেন, “নিজেদের দায় ও গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণেই ভাঙচুর হয়েছে। এর সঙ্গে বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই।” অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে যান হলদিয়া থানার ওসি ও পার্টি অফিস পরিদর্শন করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, দ্বিতীয়দফার ভোট মিটতেই দিকে দিকে আক্রান্ত তৃণমূল নেতা থেকে কর্মীরা। ভাটপাড়ার ২১ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুলি চলেছে বলেও অভিযোগ। দক্ষিণ কলকাতার বেহালায় ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগর রামকৃষ্ণ পল্লিতে তৃণমূল নেতা কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ উঠল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর সহ মোট পাঁচজন জখম হয়েছেন।