কিউআর কোড যুক্ত কার্ড স্ক্যান করালে তবেই মিলবে গণনাকেন্দ্রে এন্ট্রি, কারা পাবেন সেই কার্ড?
আজ তক | ০১ মে ২০২৬
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার একটি ভিডিও বার্তা দিয়ে বড়সড় আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, 'EVM মেশিন বদল হয়ে যেতে পারে স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময়ে।' আর তাই তিনি জানিয়েছেন, ভবানীপুরে রাতে স্ট্রংরুম পাহারা দেবেন তিনি। শুধু তাই নয়, গণনাকেন্দ্রেও হানা দেবেন বলে জানিয়ছেন মমতা। তবে গণনাকেন্দ্রগুলিতে প্রবেশের জন্য বিশেষ এক ধরনের পরিচয়পত্র লাগবে। স্ক্যান করে তবেই কাউন্টিং সেন্টারে প্রবেশ করা যাবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
কী বন্দোবস্ত নির্বাচন কমিশনের?
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছে গণনাকেন্দ্র। সেই কেন্দ্রগুলির নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। গণনাকেন্দ্রে বেআইনি বা অবৈধ প্রবেশ রুখতে বিশেষ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। গণনাকেন্দ্রে যাঁদের প্রবেশের অনুমতি রয়েছে, তাঁদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্র দেওয়া হবে প্রতিবারের মতোই। তবে এবার বাড়তি বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এই পরিচয়পত্র অর্থাৎ ID কার্ডে থাকবে একটি করে কিউআর কোড। যা স্ক্যান করে যাচাই হলে তবেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।
গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে গেলে ত্রিস্তরীয় যাচাইকরণের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে প্রতিটি গণনাকেন্দ্র। সেখানে ঢোকার পথের দু'বার কিউআর কোড স্ক্যান করাতে হবে। কারা কিউআর কোড যুক্ত আইডি কার্ড পাবেন, সে ব্যাপারেও নির্দিষ্ট নির্দেশিকা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, কাউন্টিং স্টাফ, টেকনিক্যাল স্টাফ, প্রার্থী, নির্বাচন এজেন্ট এবং কাউন্টিং এজেন্টদের জন্য এ ধরনের আইডি কার্ডের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া আর কেউ গণনাকেন্দ্রে কোনও মতেই ঢুকতে দেওয়া হবে না। অবৈধ বা অনুমতি ছাড়া কেউ যাতে গণনাকক্ষে ঢুকতে না পারে সেই কারণেই এই কড়া পদক্ষেপ
গণনাকেন্দ্রের কাছে থাকবে মিডিয়া সেন্টার। সেই জায়গাতেই থাকতে পারবেন সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা। তবে সংবাদমাধ্যমের সকল কর্মী ওই সেন্টারে থাকতে পারবেন না। কমিশনের অনুমোদিত চিঠি থাকলে তবেই সেখানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।