Live: শাখাওয়াত স্কুলে মমতা, উত্তেজনা ক্ষুদিরাম মেমোরিয়ালে; TMC-কে আক্রমণ BJP-র
আজ তক | ০১ মে ২০২৬
ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে উত্তেজনা। ওই কেন্দ্র আসলে ৭ বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুম। তৃণমূলের অভিযোগ, বিকেল পর্যন্ত তাঁদের কর্মীরা স্ট্রংরুমের সামনে থাকলেও আচমকা তাঁদের সরে যেতে বলা হয়। পরে ই-মেলের মাধ্যমে জানানো হয় নির্দিষ্ট সময়ে স্ট্রংরুম খোলা হবে। কিন্তু সেই সময় দলীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকতে পারেননি বলেই দাবি। প্রতিবাদে কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা সেখানে অবস্থানে বসেন।
LIVE UPDATES -
স্ট্রংরুমের ভিতরে সন্দেহজনক গতিবিধির অভিযোগ তুললেন কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন দুই তৃণমূল প্রার্থী। তাঁদের দাবি, ভিতরে কাজ চললেও তা নিয়ে স্পষ্ট তথ্য দিচ্ছে না নির্বাচন কমিশন। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। তারপর ইভিএম রাখা হয়েছে এই কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে। তৃণমূলের অভিযোগ, বিকেল পর্যন্ত তাঁদের কর্মীরা স্ট্রংরুমের সামনে থাকলেও আচমকা তাঁদের সরে যেতে বলা হয়। পরে ই-মেলের মাধ্যমে জানানো হয় নির্দিষ্ট সময়ে স্ট্রংরুম খোলা হবে। কিন্তু সেই সময় দলীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকতে পারেননি বলেই দাবি।
কুণাল ঘোষ জানান, খবর পেয়ে তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে গিয়ে ভিতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাঁর অভিযোগ, লাইভ স্ট্রিমিংয়ে ভিতরে কিছু কাজ চলার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। সেই নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। যদি পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত কাজ হয়ে থাকে, তবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো উচিত ছিল বলেই দাবি তাঁর।
শশী পাঁজাও একই সুরে বলেন, স্ট্রংরুম একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল জায়গা। সেখানে কোনওরকম নড়াচড়া হলে সব রাজনৈতিক দলকে জানানো জরুরি। কিন্তু সেই নিয়ম মানা হয়নি বলেই অভিযোগ তৃণমূলের। ফলে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এলাকায়।
উল্লেখ্য, এর কয়েক ঘণ্টা আগেই স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দলীয় কর্মীদের সতর্ক থাকার বার্তা দেন। তার পরেই এই অভিযোগ সামনে আসায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তরফে যদিও দাবি করা হয়েছে, স্ট্রংরুমের ভিতরে কোনও বেআইনি কাজ হয়নি। এই বিষয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখিও হন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তবে অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।