• ৯৭.৭ শতাংশ ভোট পড়ল ক্যানিং পূর্বে, সেঞ্চুরির কাছাকাছি ভাঙড়ও
    বর্তমান | ০১ মে ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রেকর্ড গড়ল ক্যানিং পূর্ব। ভোটদানের ক্ষেত্রে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন এই কেন্দ্রের ভোটাররা। বুধবার ক্যানিং পূর্বে ভোট পড়েছে ৯৭.৭০ শতাংশ। ক্যানিং পূর্বের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে পাশের কেন্দ্র ভাঙড়। এখানে ভোটদানের হার ৯৭ শতাংশ। এই সংখ্যা আরও বাড়বে। কারণ পোস্টাল ব্যালট যোগ হবে এর সঙ্গে। নির্বাচন কমিশন সূত্রেই এই তথ্য জানা গিয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই যদি পরিস্থিতি হয়, তাহলে তো সেঞ্চুরি ছুঁই ছুঁই অবস্থা হবে!

    শুধু এই দু’টি বিধানসভা কেন্দ্রই নয়, গোটা জেলাতেই ভোটদানে রেকর্ড তৈরি হয়েছে। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৯৩.৪৮ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন। ইভিএম-বন্দি এই বিপুল জনাদেশ কার দিকে গিয়েছে, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। সব দলের প্রার্থী থেকে ভোট ম্যানেজাররা এই ভোট নিয়ে হিসাব কষতে শুরু করেছেন। জেলার শহুরে বিধানসভা আসনগুলি বাদ দিলে প্রায় সব কেন্দ্রেই ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু প্রধান কেন্দ্রগুলি মধ্যে যেন একে অপরকে টেক্কা দিতে নেমেছিল। মগরাহাট পূর্ব ও পশ্চিম, ক্যানিং পশ্চিম, বাসন্তীর মতো কেন্দ্রেও ৯৫-৯৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই জেলায় ২০২১ এবং ২০২৪ সালে ভোট পড়েছিল যথাক্রমে ৮২ এবং ৭৮ শতাংশ। এবার অতীতের সব রেকর্ড ম্লান করে দিয়ে ভোট পড়ল ৯৩.৪৮ শতাংশ। বাড়তি ১০ শতাংশের বেশি ভোট কোন দিকে, তার উপর ফলাফল কতটা প্রভাবিত হতে পারে, এখন সেসবই চর্চার বিষয়।

    আরও একটি তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, বেশ কিছু কেন্দ্রে এবার ব্যাপক হারে বেড়েছে ভোটদান। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় সোনারপুর উত্তর ও দক্ষিণে ১৪ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। তবে জেলার অধীনে থাকা ছ’টি শহুরে আসনে ভোটের হার ৯০ শতাংশ টপকাতে পারেনি। তবে এই কেন্দ্রগুলিতে গড়ে ৮৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। এটাও নজির বলে মনে করা হচ্ছে। বুধবার ডায়মন্ডহারবার ও বাসন্তীর কয়েকটি বুথে ভোট শেষ হতে হতে রাত সাড়ে ৯টা বেজে যায়। কারণ এইসব জায়গায় ইভিএম খারাপ হওয়ায় তা বদল করতে হয়েছে। সেকারণেই এই দেরি।
  • Link to this news (বর্তমান)