পেনশনভোগীদের জন্য সুখবর। ইপিএফ পেনশন এক ধাক্কায় এক হাজার টাকা থেকে ৭ হাজার ৫০০ টাকা করার প্রস্তাবে ছাড়পত্র দেওয়ার পথে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন। সংসদীয় কমিটির সুপারিশ মতো কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি অবশেষে পূরণ হওয়ার পথে।
দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ন্যূনতম পেনশন নিয়ে। যা প্রতি মাসে মাত্র ১ হাজার টাকা। অবসর তহবিল সংস্থা ইপিএফও পরিচালিত কর্মচারী পেনশন স্কিম ১৯৯৫ (ইপিএস-৯৫)-এর আওতাভুক্ত পেনশনভোগীরাও ন্যূনতম মাসিক পেনশন (EPFO Pension) বাড়িয়ে ৭,৫০০ টাকা করার দাবিতে ৯ মার্চ থেকে যন্তর মন্তরে তিন দিন বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিলেন। মার্চ মাসে সংসদীয় কমিটিও ন্যূনতম পেনশন বাড়িয়ে সাড়ে সাত হাজার টাকা করার সুপারিশ করে।
শ্রম, বস্ত্র ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ‘অনুদান দাবি (২০২৬-২৭)’ শীর্ষক ১৫তম প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় সত্ত্বেও কর্মচারী পেনশন প্রকল্প, ১৯৯৫-এর অধীনে প্রতি মাসে ন্যূনতম ১,০০০ টাকা পেনশন দীর্ঘ সময় ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে। যা বাড়িয়ে ৯ হাজার টাকা করার দাবি উঠেছিল। সেই দাবিকে মান্যতা দিয়ে ন্যূনতম পেনশন ৭, ৫০০ টাকা করার ব্যাপারে এবার ছাড়পত্র দিতে চলেছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, ইপিএফওর অছি পরিষদের পরের বৈঠকেই ওই সিদ্ধান্তে ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে। এমনটা হলে উপকৃত হবেন ইপিএফও-র ৬০ লক্ষ পেনশনভোগী।
এর পাশাপাশি চলতি অর্থবর্ষের জন্য সুদের হারও নির্ধারিত হয়ে যাবে ওই বৈঠকে। সূত্রের খবর, এই অর্থবর্ষেও ইপিএফও-তে সুদের হার হতে চলেছে ৮.২৫ শতাংশ। এছাড়া পিএফের ক্লেইম সেটেলমেন্ট প্রক্রিয়ার সরলীকরণের জন্য এটিএমের মাধ্যমে আগামী দিনে টাকা তোলার পদ্ধতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ইপিএফও-র দাবি, গত অর্থবর্ষে রেকর্ড অঙ্কের ক্লেইম সেটেলমেন্ট করেছে সংস্থা। এক বছরে ৬.৮৮ কোটি ক্লেইম সেটেলমেন্ট হয়েছে।