• অন্তত একটি আসন কি মিলবে? প্রশ্ন বাম মহলে, রিপোর্ট বিশ্লেষণে ব্যস্ত আলিমুদ্দিন
    বর্তমান | ০৩ মে ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূল-বিজেপি যখন সরকারে আসার লড়াই করছে, সেই সময় ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকা বামফ্রন্ট অঙ্ক কষছে খাতা খোলার! ভোট নিয়ে যাবতীয় আলোচনায় সিপিএমের কর্মী-সমর্থকদের প্রশ্ন একটাই, ‘অন্তত একটা কি হবে?’ কেউ ‘হ্যাঁ’ বললেই পরের প্রশ্ন, ‘কোন আসনটা?’ এমনকি, মে দিবসের মিছিলেও লাল ঝান্ডার কর্মী-সমর্থকদের কৌতূহল এনিয়েই। সেই কৌতূহলে বারবার ধুনো দেয় সামাজিক মাধ্যম। সেখানে হঠাত্ হঠাত্ বিভিন্ন পরিসংখ্যান ভেসে উঠছে। কোনোটায় আবার বামফ্রন্টকে সরকার পর্যন্ত গড়ে ফেলতেও দেখা যায়। কিন্তু বাস্তবের মাটিতে দাঁড়ানো সিপিএমের কর্মী-সমর্থকদের একাংশ আসনের আশা ততটা না করে আগামীর পথচলা কীভাবে হবে, তা নিয়েই আলোচনা করছে। 

    এসবের মাঝে আবার ঢুকে পড়েছে এআই। সেই এআই বলছে, ২০৩১ সালে নাকি সিপিএম লড়াইয়ে ফিরবে! এত সব জল্পনার মাঝে আলিমুদ্দিনের নেতারাও গ্রাউন্ড রিপোর্ট নেওয়া শুরু করেছেন। পাঁচ বছর বিধানসভায় কোনো প্রতিনিধি না থাকার পর এবার কি শূন্য দশা কাটবে? সেই উত্তর খুঁজে বেড়াচ্ছে আলিমুদ্দিন। ভোটের আগেই বর্ষীয়ান বাম নেতা তথা বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেছেন, ‘সিপিএম আর মহাশূন্যে থাকবে না।’ তবে সেই কথায় সিপিএমের নীচুতলার কর্মী-সমর্থকরা ততটা আশ্বস্ত হতে পারছেন না বলে খবর। কারণ, আশঙ্কা একটাই, বিজেপিতে চলে যাওয়া ভোট আদৌ সিপিএমে ফিরেছে কি? এক সিপিএম কর্মীর কথায়, ‘মানুষের কাছে বিজেপির ভয়াবহতার কথা তুলে ধরছি। কিন্তু তার প্রভাব ভোটবাক্সে পড়বে কি না, সেটাই দেখার।’ 

    তবে বিস্তর রিপোর্ট ঘাঁটাঘাঁটি করার পর আলিমুদ্দিনের নেতারা নিশ্চিত যে ভোট শতাংশ এবার বাড়বে। কিন্তু ভোট শতাংশ দিয়ে তো নীচুতলার কর্মী-সমর্থকদের মন ভিজবে না। কারণ, কলতান দাশগুপ্ত, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, দীপ্সিতা ধর, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, আফরিন বেগমদের মতো প্রার্থীর প্রচার দেখার পর অনেক আশায় বুক বেঁধেছেন তাঁরা। যদিও আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর, রিপোর্ট যা এসেছে, তাতে শূন্য দশা কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। 
  • Link to this news (বর্তমান)