ভোটগণনার দিনও গোটা রাজ্যে নজর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ! সকাল থেকে রাজ্যের ৭৭ গণনাকেন্দ্রের দিকে তিনি কড়া নজর রাখছেন কালীঘাটের বাড়িতে বসেই। কোনও কোনও কেন্দ্রে গণনা শুরু হয়েছে দেরিতে। কোথাও কোনও প্রযুক্তিগত সমস্যা হয়েছে। তার প্রতিটি খুঁটিনাটি খবর রেখেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অন্যদিকে, কালীঘাটের ওয়াররুমে বসে গণনাকেন্দ্রগুলির দিকে নজর রাখছেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর। এখানে সম্মুখসমরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাই এই কেন্দ্রের দিকে নজর সর্বাধিক। কিন্তু নিজের কেন্দ্র ছাড়াও রাজ্যের প্রতিটি গণনাকেন্দ্রের দিকে কড়া নজর রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এবং তৃণমূলের আশঙ্কা, গণনায় বিজেপি কারচুপি করতে পারে। সেই কারণে শনিবার সমস্ত কাউন্টিং এজেন্টকে নিয়ে ভারচুয়াল বৈঠকে মমতা ও অভিষেক যাবতীয় কর্তব্যের কথা খুঁটিনাটি বলেছেন। বারবার বলা হয়েছে, গণনা শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সাংবাদিক বৈঠকে জয় ঘোষণা না করা পর্যন্ত যেন কোনও কাউন্টিং এজেন্ট গণনাকেন্দ্র না ছাড়েন।
সূত্রের খবর, সোমবার সকালেও প্রতিটি গণনাকেন্দ্রের দিকে নজর রেখেছেন তৃণমূলনেত্রী। এজেন্টদের উদ্দেশে বার্তা, প্রাথমিক গণনায় দলের প্রার্থীরা পিছিয়ে গেলেও মনোবল কোনওভাবে একচুলও এদিক-ওদিক যেন না হয়। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত থাকতেই হবে। শেষ পর্যন্ত জয় হবে তৃণমূলেরই। এই আত্মবিশ্বাস যেন রাখেন সমস্ত কাউন্টিং এজেন্ট। অন্যদিকে, পোস্টাল ব্যালট গণনার শুরু থেকে কালীঘাটের ওয়াররুমে বসে নজরদারি চালিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এজেন্টদের প্রতি প্রয়োজনীয় বার্তা পাঠাচ্ছেন। আগেই অভিষেক পরামর্শ দিয়েছিলেন, গণনার সময়ে যে কোনও কারচুপি হতে পারে। তা নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।