• বিজয়কে কী বার্তা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতার?
    আজকাল | ১১ মে ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: রবিবার সকালে ছিল তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। শপথ নিয়েছেন মন্ত্রীসভার আরও নয় মন্ত্রী। টিভিকে প্রথমবার সরকার গঠনের পর অনেকেই শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন অভিনেতা তথা রাজনীতিক থালাপথি বিজয়কে। শুভকামনা জানিয়েছেন রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং বিরোধী দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জীও।

    রবিবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছাবার্তা ভাগ করে নিয়েছেন মমতা ব্যানার্জী। বলেছেন, "তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে তামিলগা ভেট্টি কাড়াগম বা টিভিকে-এর এই বিশাল জয়ে আমি আপ্লুত। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর বিজয় এবং তাঁর দলের জন্য তাঁর আন্তরিক অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা রইল।"

    তাঁর মতে, তামিলনাড়ুতে টিভিকে-র এই জয় জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা, আস্থা এবং গণতান্ত্রিক ইচ্ছারই প্রতিফলন। বিজয়ের নেতৃত্বে তামিলনাড়ু অগ্রগতি, জনকল্যাণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পথে আরও এগিয়ে যাবে বলেই তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, " আমি বিজয় এবং তাঁর সরকারের সাফল্য কামনা করি, যাতে তাঁরা নিষ্ঠা ও অঙ্গীকারের সাথে জনগণের সেবা করতে পারেন।"

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি বাংলার মতোই তামিলনাড়ুতেও পালাবদলের সাক্ষী থাকেছে দেশ। জনপ্রিয় অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে প্রবেশ করা বিজয়ের নেতৃত্বে টিভিকে বিধানসভা নির্বাচনে ২৩৪টির মধ্যে ১০৮টি আসন জিতে চমকপ্রদ ফল করেছে। রবিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার অনুষ্ঠানে জমকালো সাজে হাজির ছিলেন বিজয়। পরনে ছিল কাল ট্রাউজ়ার, শাদা শার্ট, কালো ব্লেজ়ার। চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু ইনডোর স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকাল ১০টায় শুরু হয়েছে শপথগ্রহণ। চেন্নাইয়ে মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী তৃষা ও কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী।

    এদিন বিজয়ের পাশাপাশি তামিলনাড়ুর মন্ত্রিসভার আরও ৯ জন মন্ত্রী শপথগ্রহণ করেছেন। এই তালিকায় রয়েছেন কেএ সেনগোট্টাইয়ান, নির্মল কুমার, আধব অর্জুন, টিভিকে জেনারেল সেক্রেটারি আনন্দ, রাজ মোহন, ড. টিকে প্রভু, অরুন রাজ, কীর্তনা, পি ভেঙ্কটারামন।

    ২০২৬-এর এই বিধানসভা নির্বাচন ছিল আক্ষরিক অর্থেই এক থ্রিলার। নির্বাচনে বিজয়ের দল ১০৮টি আসন জিতে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এলেও, সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮-এর ম্যাজিক ফিগার থেকে কিছুটা দূরে ছিল। গত পাঁচ দিন ধরে চলে দফায় দফায় বৈঠক ও রাজনৈতিক চাপানউতোর। রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করার পরেও জট কাটছিল না।

    অবশেষে ভিসিকে, আইইউএমএল, কংগ্রেস এবং বাম দলগুলোর নিঃশর্ত সমর্থনে বিজয়ের জোট ১২০-এর গণ্ডি স্পর্শ করে। এর পরেই শনিবার সন্ধ্যায় রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকারের কাছে সরকার গড়ার দাবি জানান বিজয়। রাজ্যপাল তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেছেন।

     
  • Link to this news (আজকাল)