• ২১-এ মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক, উঠবে পুর-দুর্নীতির প্রসঙ্গ, এডিডিএ ভবনে অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত-ফাইল খুলবে?
    এই সময় | ১৮ মে ২০২৬
  • এই সময়, দুর্গাপুর: আগামী ২১ মে, বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরের সৃজনী হলে প্রশাসনিক বৈঠক করতে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম ও পুরুলিয়ার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও পুলিশ কমিশনার-সহ গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন বৈঠকে। এ ছাড়া থাকবেন পাঁচটি জেলার নবনির্বাচিত বিধায়করা। বৈঠকে দুর্গাপুর পুরসভার দ্রুত নির্বাচন ও বিভিন্ন দপ্তরের দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

    দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবার বলেন, 'দুর্গাপুর পুরসভার দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানানোর পাশাপাশি বিল্ডিং প্ল্যান বিভাগে ১৫টি সংস্থার ফ্ল্যাটের অবৈধ অনুমতি, কেয়ারটেকার বিভাগ থেকে গাড়ির তেল চুরি, হোল্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স বিভাগে দুর্নীতি ও এডিডিএ (আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন সংস্থা) ভবনে অগ্নিকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানানো হবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে।' দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই এ দিন বলেন, 'অবৈধ ভাবে যে ১৫টি বহুতল নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেগুলিতে ফ্ল্যাট কিনে ভবিষ্যতে কেউ বিপাকে পড়লে সেই দায় আমরা নেব না।'

    উল্লেখ্য, আগের সরকারের আমলেই রাজ্যের পুর ও নগরন্নোয়ন দপ্তরের এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কোনও বিল্ডিং প্ল্যান স্যাংশন অফলাইনে হবে না। অনলাইনে করতে হবে। অভিযোগ, এই নির্দেশিকার পরেও দুর্গাপুর পুর কর্তৃপক্ষ ১৫টি সংস্থার ফ্ল্যাটের বিল্ডিং প্ল্যানের অনুমোদন দেয় অফলাইনে। তবে কয়েক জন আপত্তি করায় চূড়ান্ত ছাড়পত্র দেওয়া যাচ্ছিল না। পরবর্তী সময়ে এই ১৫টি ফাইল রাজ্যের পুর ও নগরন্নোয়ন দপ্তর পাঠিয়ে সেখান থেকে অনুমতি নিয়ে আসা হয়। সূত্রের খবর, অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে বলা হয়েছিল, এক মাসের মধ্যে অফলাইনে দেওয়া এই অনুমতি অনলাইন বিল্ডিং প্ল্যান অ্যাপ্রুভ্যাল সিস্টেম (ওবিপাস) পোর্টালে সাবমিট করতে হবে। পুরসভার কমিশনার আবুল কালাম আজাদ ইসলাম শনিবার বলেন, 'পোর্টালে জমা করা হয়েছিল কি না, মনে করতে পারছি না। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের গাইডলাইন মতো কাজ করা হয়েছে।'

    এ ছাড়া ভবনে যে দুই বিধায়ক দুর্গাপুরে এডিডিএ অগ্নিকাণ্ডের তদন্তের দাবি জানাতে চলেছেন, সেই আগুন লেগেছিল ২০২৩-এর ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে। আগুনে প্রচুর নথি পুড়ে যায়। বিজেপির অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার সঠিক কারণ প্রকাশ্যে আসেনি। অথচ ফরেন্সিক তদন্ত হয়েছিল।

  • Link to this news (এই সময়)