অবশেষে ইডির দপ্তরে হাজিরা বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর। কাঁকুলিয়া-কাণ্ডের পর থেকে উধাও ছিলেন সোনা পাপ্পু। সোমবার আচমকাই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন তিনি। সঙ্গে তাঁর স্ত্রী। এ দিন ইডির দপ্তরে ঢোকার সময়ে সংবাদমাধ্যমে সোনা পাপ্পুকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি আত্মসমর্পণ করছেন? সোনা পাপ্পুর জবাব, তিনি কোনও বেআইনি কাজ করেননি। ইডি ডেকেছিল, এসেছেন।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে গোলপার্কের কাঁকুলিয়া রোডে গুলি-বোমাবাজির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে সোনা পাপ্পুর নাম উঠে আসে। জোর করে জমি দখল-সহ একাধিক অভিযোগে নাম জড়ায় তাঁর। গত ২ এপ্রিল ইডি হানা দেয় তাঁর বাড়িতে। ৩০০ পাতার নথি উদ্ধার হয়েছিল তাঁর বাড়ি থেকে। এমনকী, ফার্ন রোডের বাড়ি থেকে দেশি পিস্তলও উদ্ধার হয়েছিল।
সোনা পাপ্পুকে অনেকেই ‘বালিগঞ্জের ত্রাস’ বলে থাকেন। যদিও সোনা পাপ্পু তা মানতে নারাজ। এ দিন ইডির দপ্তরে ঢোকার সময়ে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে সোনা পাপ্পু বলেন, ‘কোনও জমি আমি নিইনি। আমার নামে কোনও অভিযোগও নেই। আমি কোনও কাঁকুলিয়া কেসে জড়িত ছিলাম না। যে সময়ে এই ঘটনা আমি পুজোতে বসেছিলাম। আমাকে মিথ্যা ফাঁসানো হয়েছে।’
সোনা পাপ্পুর আরও দাবি, তিনি এত দিন বাড়িতেই ছিলেন। তবে পুলিশ বাড়িতে এলেও তিনি বেরোননি বলে দাবি করেন।