• হুগলিতে 'ঘরছাড়া' তৃণমূল কর্মী খুঁজে পাওয়া গেল না!
    আজকাল | ১৮ মে ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় আক্রান্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেকে ঘরছাড়া হয়েছেন। অনেকে দখল হয়েছে পার্টি অফিস। এমনই অভিযোগ করছেন রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদলের নেতৃত্ব।

    কোথায় কোথায় তৃণমূল কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন তা সরেজমিনে দেখতে তথ্য অনুসন্ধানকারী দল বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছেন। তৃণমূল সাংসদ প্রতিমা মণ্ডলের নেতৃত্বে একটি দল গতকাল, রবিবার আরামবাগে পরিদর্শন করেন।

    আজ আবারও প্রতিমা মণ্ডল, বীরবাহা হাঁসদা সহ আরও অনেকে হুগলিতে আসেন। প্রথমে খানাকুলে যান তাঁরা।

    সন্ধ্যায় চুঁচুড়া বিধানসভা এলাকার কয়েকটি জায়গায় পরিদর্শন করেন। চুঁচুড়া পুরসভার এক নম্বর ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। 

    তৃণমূল কংগ্রেসের একটি পার্টি অফিস তালা দেওয়া রয়েছে ভোটের ফল বেরোনোর পরেই। এই অফিস বিজেপি দখল করেছিল বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ গিয়ে সেই অফিস ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। তবে প্রাক্তন বিধায়কের কাছে চাবি থাকায় সেই অফিস আজও খুলতে পারেননি তৃণমূল কর্মীরা। 

    দল হেরেছে, এখনও তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে বলে তথ্য অনুসন্ধানকারী দলের কাছে ক্ষোভ উগড়ে দেন তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। বিধানসভার ফল বেড়ানোর পরে ধুতুরা পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরস্বতী পালের বাড়িতে কয়েকজন বিজেপি কর্মী গিয়ে হুমকি দেন বলে অভিযোগ। সরস্বতী পালের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

    প্রতিমা মণ্ডল, বীরবাহা হাঁসদা জানান, "সপ্তগ্রামের মহানাদে এক তৃণমূল কর্মী খুন হয়েছেন। তেমনি ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়ে আছে যে তাঁরা কোনো কথা বলতে চাইছেন না। অনেক তৃণমূল কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদের বাড়ি যেতেও তাঁরা বারণ করেছেন। আমরা ঘুরে যাওয়ার পর হয়তো আবার আক্রমণ হতে পারেন। তবে এখনও পর্যন্ত চুঁচুড়া বা সপ্তগ্রামে কোনো তৃণমূল কর্মী ঘরছাড়া নেই। আমরা পুলিশের কাছে বিষয়টি বলছি যে অফিসগুলো বন্ধ আছে সেগুলি যাতে খোলার ব্যবস্থা করা হয়। রাজ্যের শাসক দল বলেছিল ভয় নয়, ভরসা করুন। কিন্তু তাদের কথায় আর কাজে মিল হচ্ছে না।আমরা চাই আপনারা সরকার তৈরি করেছেন, রাজ্যের উন্নয়নে নজর দিন। বিরোধীদের আক্রমণ বন্ধ করুন।"
  • Link to this news (আজকাল)