• আচমকা সেতুর টোল বাড়তেই অ্যাকশনে বিধায়ক
    আজকাল | ১৮ মে ২০২৬
  • মিল্টন সেন: নোটিশ ছাড়াই বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল টোল। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে ঈশ্বর গুপ্ত সেতুর টোল নেওয়া বন্ধ করলেন সপ্তগ্রামের বিধায়ক স্বরাজ ঘোষ। 

    হুগলি জেলার বাঁশবেড়িয়ার ঈশ্বর গুপ্ত সেতু নদিয়া এবং ২৪ পরগনা জেলাকে সংযুক্ত করেছে। মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সময়ে তৈরি এই সেতুর অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। বহন ক্ষমতা কমে যাওয়ায় সরকারি তরফে ভারী যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ২০১৭ সাল থেকে মালবাহী কোন ভারী যান এই সেতু দিয়ে চলাচল করতে পারে না। ছোট মালবাহী গাড়ি চার চাকা মোটরবাইক অটো টোটো চলাচল করে। 

    রাজ্যের সর্বত্র ফাস্ট-ট্যাগ দিয়ে টোল আদায় হলেও এই সেতুর জন্য টোল আদায় চলত নগদে। যেটা নিয়ে আপত্তি ছিল বহু পথচারীর। ঈশ্বর গুপ্ত সেতুতে রাজ্যের পূর্ত দপ্তরের অনুমোদনে টোলগেট বসিয়ে যানবাহন থেকে টোল আদায় করে বীরভূমে একজন ঠিকাদার। কোন গাড়ির কত টোল হবে এই রেট চার্ট তৈরি করে দিয়েছে পূর্ত দপ্তর। চারচাকা গাড়ি সেতু পেরোতে ১০ টাকা করে দেওয়ার কথা। হঠাৎ করে সেই পাঁচ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। 

    গাড়ি চালকদের থেকে সেই অভিযোগ পেয়ে সপ্তগ্রামের বিধায়ক স্বরাজ ঘোষ সোমবার ঈশ্বর গুপ্ত সেতুতে পৌঁছে যান। বিধায়ক জানতে চান, কোনও বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে কীভাবে বাড়ানো হল টোল ট্যাক্স তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর জিজ্ঞাস্য ছিল- সরকারি বিজ্ঞপ্তি কেনও কোনও পত্রিকায় বা অন্য কোথাও দেওয়া হয়নি? বিধায়ক বলেন, "সবাইকে সরকারের নিয়ম মেনে চলতে হবে।"

    গাড়ি চালকরাও জানান এদিন হঠাৎ করেই ১৫ টাকা করে টোল দিতে হয় তাদের। বাঁশবেড়িয়া মন্ডল বিজেপির সভাপতি সুরেশ চৌধুরী জানান, কোনও বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই টোল ট্যাক্স বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিধায়ক এসে সেই বিষয়টা জানতে চান। ওরা এই টোল বাড়ানোর সপক্ষে বৈধ কোনও নথি দেখাতে পারেনি। সরকারি নির্দেশ যদি থাকে সেটা ওদের দেখাতে বলা হয়েছে। আপাতত টোল আদায় বন্ধ থাকবে।
  • Link to this news (আজকাল)