আজকাল ওয়েবডেস্ক: ক্ষমতায় বসেই, একের পর এক প্রতিশ্রুতি পূরণ করার পথে হাঁটছে গেরুয়া শিবির। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের অত্যন্ত চর্চিত ও সফল ‘জনতা দরবার’ মডেল এবার বাংলাতেও। সোমবারেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জনতার দরবার-এ বসেন। সাধারণ আম্নুষের কথা শোনার জন্য। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বিজেপির একাধিক বিধায়ক যাচ্ছেন একাধিক দপ্তরে। একদিকে যখন শঙ্কর ঘোষ, স্বপন দাশগুপ্ত গেলেন বিকাশ ভবনে, তেমনই একগুচ্ছ বিজেপি বিধায়ক যাচ্ছেন স্বাস্থ্য ভবনে।
চন্ডীপুরের বিধায়ক পীযূষ কান্তি দাস যান স্বাস্থ্য ভবনে।
এর আগে, সোমবার সকালে শিক্ষা দপ্তরে হাজির হন শঙ্কর ঘোষ, স্বপন দাশগুপ্ত-সহ বিজেপি বিধায়কদের দল। শিক্ষা দপ্তরের নির্দিষ্ট মন্ত্রী এখনও ঠিক হয়নি, এখনও দপ্তর রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। সেই কারণেই বেশ কয়েকজন বিধায়কদের মিলিয়ে একটি দল তৈরি করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্য থেকে শিক্ষা, বিভিন্ন দপ্তরের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য তাই দলগুলি দপ্তরে দপ্তরে যাচ্ছে। এদিন সোমবার, সকাল ১১টা নাগাদ বিকাশ ভবনে হাজির হন বিধায়করা। সেই বিধায়কদের দলে রয়েছেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত-সহ অনেকেই। শিক্ষা সচিব বিনোদ কুমার-সহ স্কুল শিক্ষা ও উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের বিভিন্ন আধিকারিকরা সেই বৈঠকে রয়েছে।
এর আগের সরকারের আমলে শিক্ষা দপ্তরের দুর্নীতি নিয়ে বারংবার প্রশ্ন উঠেছে। কোথাও চাকরি চলে যাওয়া, কোথাও নিয়োগ না হওয়া, দীর্ঘদিন ধরে আদালতে ঝুলে থাকা মামলায় নিয়োগ আটকে যাওয়া, এমনই নানারকম অভিযোগ একাধিকবার উঠেছে। সেই কারণে একেবারে শুরু থেকে খতিয়ে দেখতে হবে এই সরকারকে। পাশাপাশি, ভোটে স্বচ্ছ নিয়োগের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল বিজেপি। সেই সূত্রে স্কুল শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রকে দুর্নীতিমুক্ত বানানো বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ। আর সেই কারণেই শুরু থেকেই তৎপর প্রশাসন। সোমবার সকাল ১১টা নাগাদ বিকাশ ভবনে আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে হাজির হন শঙ্কর ঘোষ, স্বপন দাশগুপ্তরা। সেখানে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকের পর জানা যাবে, আপাতত শিক্ষা ক্ষেত্র নিয়ে কী ভাবছে রাজ্য সরকার। অন্যদিকে, একগুচ্ছ বিধায়ক যান স্বাস্থ্য দপ্তরের হাল হকিকত খতিয়ে দেখতে।