• ট্রেকিং করতে ভালোবাসেন? সঙ্গে বন্যপ্রাণ আর স্থানীয় খাবারও খোঁজেন? ৫ গন্তব্যের সন্ধান রইল এখানে
    এই সময় | ১৮ মে ২০২৬
  • ভারতের পর্যটন মানচিত্র এবং পর্যটকদের পছন্দে বেশ বড়সড় বদল এসেছে। ছুটি কাটানো মানে এখন আর শুধু বিখ্যাত কোনও ট্যুরিস্ট স্পটে গিয়ে ভিড় বাড়ানো বা সেলফি তোলা নয়। নতুন প্রজন্মের পর্যটকরা এখন খুঁজছেন শান্ত, ধীরগতির ভ্রমণ গাইড। যেখানে থাকবে অচেনা পাহাড়ি উপত্যকায় ট্রেকিংয়ের রোমাঞ্চ, কোনও স্থানীয় আদিবাসী উপজাতির হেঁশেল থেকে পাওয়া স্থানীয় খাবারের স্বাদ এবং বন্যপ্রাণের সান্নিধ্য। রইল এমন ৫ গন্তব্যের সন্ধান।

    সবুজ উপত্যকা আর পাইন বনে ঘেরা জ়িরো-তে পৌঁছলে মনে হবে সময় যেন থমকে গিয়েছে। এটি মূলত প্রাচীন ‘আপাতানি’ (Apatani) উপজাতির বাসস্থান। তাঁদের সংস্কৃতিকে কাছ থেকে জানা, সবুজ ধানখেতের মাঝে হেঁটে বেড়ানো এবং পাহাড়ি জনজাতির ঐতিহ্যবাহী খাবার চেখে দেখার জন্য জ়িরো অনবদ্য গন্তব্য।

    যাঁরা রুক্ষ মাটি, ঊষর পাহাড় আর রোমাঞ্চকর রোড ট্রিপ পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য স্বর্গরাজ্য এই কোল্ড ডেজার্ট বা শীতল মরুভূমি। চারদিকে ছড়িয়ে থাকা প্রাচীন বৌদ্ধ মনাস্ট্রি বা মঠ, পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা আর রাতে তারায় ভরা আকাশ— স্পিতিকে করে তুলেছে সিনেম্যাটিক।

    ডিজিটাল দুনিয়া থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হতে চাইলে বা ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ করতে চাইলে কল্পার কাঠের কেবিনগুলো হতে পারে সেরা অপশন। জানলা খুললেই কাঞ্চনজঙ্ঘা বা কিন্নর কৈলাশের বরফাবৃত শৃঙ্গ, আর পাইন বনের ট্র্যাকিং ট্রেল ধরে হেঁটে বেড়ানোর আনন্দ অপরিসীম।

    অফবিট ট্রাভেলারদের অন্যতম পছন্দের জায়গা জিভি। পাহাড়ি নদীর ধারে ছবির মতো সুন্দর কটেজ, পাইন বনের মাঝে লুকিয়ে থাকা জলপ্রপাত আর শান্ত পাহাড়ি পরিবেশ শহরের সব ক্লান্তি ভুলিয়ে দেবে।

    ভারত-তিব্বত সীমান্তের কাছে অবস্থিত মুন্সিয়ারি ট্রেকার এবং ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফারদের প্রিয় ঠিকানা। এখান থেকে পঞ্চচুল্লি (Panchachuli) শৃঙ্গের যে অসাধারণ দৃশ্য দেখা যায়, তা এককথায় অবিশ্বাস্য। এখানে পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে ছড়িয়ে রয়েছে অ্যাল্পাইন ল্যান্ডস্কেপের স্নিগ্ধতা।

  • Link to this news (এই সময়)