সকাল থেকে অ্যাকশন মোডে বিজেপির বিধাননগরের বিধায়ক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। সোমবার সকাল থেকে বিধাননগরের এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে পরিদর্শন করলেন তিনি। এ দিন প্রথমেই তিনি যান বিধাননগর মাতৃসদনে (Bidhannagar Matrisadan)। এটি বিধাননগর পুর এলাকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পরিষেবা কেন্দ্র। পরিকাঠামো হয়েছে, যন্ত্রপাতি রয়েছে, শয্যা রয়েছে কিন্তু কোনও পরিষেবা নেই। ওই হাসপাতাল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এমন অভিযোগ উঠছিল। সোমবার সকালে গোটা হাসপাতাল ঘুরে দেখেন বিধাননগরের নতুন বিধায়ক চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
ওই হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পরিকাঠামো রয়েছে। কিন্তু বহুদিন ধরে সেখানে রোগী ভর্তি হন না। পরিষেবা মেলা যায় না বলেই অভিযোগ ওঠে। বিধায়ক শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘বিধাননগর মাতৃসদনে পরিকাঠামো আছে, কিন্তু পরিষেবা শূন্য। ডাক্তার পেলাম না। ২-৩ জন ডাক্তার নাকি আসেন। ৫ জন নার্স রয়েছেন। ল্যাবরেটরিতে ডাক্তার নেই, টেকনিশিয়ানরাই সামলান। ২০১৩ থেকে ইনডোর পুরোপুরি বন্ধ। কেউ ভর্তি হয় না।’ যদি পুরসভা স্বাস্থ্যকেন্দ্র না চালাতে পারে, তা হলে কেন এতদিন সেটা জানানো হলো না, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। মাতৃসদন ঘুরে দেখার পরে বিধায়ক চলে যান বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে। সেখানকার চিকিৎসা পরিকাঠামোর পরিস্থিতি নিয়ে সুপারের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
এ দিন হাসপাতাল ঘুরে দেখার পরে বিধাননগর কর্পোরেশনে যান বিধাননগরের বিধায়ক। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজারহাট-গোপালপুরের বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি এবং রাজারহাট নিউ টাউনের বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়া। তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিধাননগর কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান, মেয়র-সহ পুর প্রতিনিধিরা। পীযূষ কানোরিয়া বলেন, ‘মানুষের কাজ হবে। নিকাশি ও রাস্তার কাজ করতে হবে। বর্ষা আসছে, তার আগে জল জমা আটকাতে হবে। বৈঠকে সব জানানো হয়েছে।’ বিধাননগর পুরসভার মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী বলেন, ‘বিধায়ক হিসেবে তাঁরা আসবেন, কথা বলবেন। মানুষের পরিষেবা দেওয়া উচিত, আমরা চেষ্টা করেছি। তাও যেখানে যেটুকু হয়নি। তাঁরা আমাদের সাজেশন দেবেন, সহযোগিতা করবেন। ওঁরা কিছু আমাদের দেখিয়েছেন, সেটা নিয়ে আমরা কাজ এগিয়ে যাব।’