ইটভাটার ঘর থেকে যুবকের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানা এলাকায়। মৃতের নাম দুধকুমার সর্দার (৩৫)। পরিবারের দাবি, তিনি বিজেপি সমর্থক ছিলেন। টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিবাদের জেরে তাঁকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।
সোমবার সকালে একটি ইটভাটার ঘর থেকে দুধকুমারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি, ওই ইটভাটাটি ক্যানিং পূর্বের এক প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার ভাইয়ের। দেহ উদ্ধারের ঘটনা কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে জীবনতলা থানার পুলিশ। তার পরে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
পরিবারের অভিযোগ, ইটভাটা মালিকের কাছ থেকে প্রায় কুড়ি হাজার টাকা দাদন নিয়েছিলেন দুধকুমার সর্দার। নির্দিষ্ট সময়ে সেই টাকা শোধ করতে না পারায় দীর্ঘদিন ধরে তাঁর উপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালানো হচ্ছিল বলে দাবি পরিবারের। সেই কারণেই পরিকল্পনা করে তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের অভিযোগ, ইটভাটায় আর কয়েকদিনের কাজ বাকি ছিল, সেখানেই তাঁকে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। দুধকুমারের ভাইয়ের দাবি, সোমবার সকালে তাঁকে ফোন করে জানানো হয়, দুধকুমার গলায় দড়ি দিয়েছে।
ঘটনার পর জীবনতলা থানায় দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান পরিবারের লোকজন ও বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপির পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছে, এটি আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত খুন। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত পক্ষ। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জীবনতলা থানার পুলিশ।