• কীর্তি থেকে মহুয়া— দলে দলে ‘আরশোলা’-র পার্টিতে তৃণমূল নেতারা! CJI-এর মন্তব্যে জন্মাল CJP
    এই সময় | ১৯ মে ২০২৬
  • দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সাম্প্রতিক ‘আরশোলা’ (Cockroach) মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে দানা বাঁধল বিতর্ক। এই আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় জন্ম নিল এক নয়া রাজনৈতিক দল, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা CJP। আর এই নয়া দল তৈরি হতেই তাতে যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ, মহুয়া মৈত্র এবং কীর্তি আজাদ। বলাই বাহুল্য, প্রধান বিচারপতির ওই বিতর্কিত মন্তব্যের অভিনব প্রতিবাদ হিসেবেই সোশ্যাল মিডিয়ায় জন্ম নিয়েছে এই ব্যঙ্গাত্মক ও প্রতীকী রাজনৈতিক দল। তবে রাতারাতি বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই কাল্পনিক রাজনৈতিক ফ্রন্টটি।

    গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টে এক মামলার শুনানির সময়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত দেশের এক শ্রেণির কর্মহীন যুবক-যুবতীদের ‘আরশোলা’ ও ‘পরজীবী’র সঙ্গে তুলনা করে মন্তব্য করেন, কাজ না পেয়ে অনেকে মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া বা RTI কর্মী সেজে রাষ্ট্রকে আক্রমণ করছে।

    এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা হয়েছে নেটপাড়ায়। এর প্রতিক্রিয়াতেই নেটিজ়েনরা তৈরি করেছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। ইতিমধ্যেই এই আরশোলা পার্টির পেজে ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

    রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় রসিকতা করে এই দলে যোগ দেওয়ার জন্য কী যোগ্যতা চাই জানতে চান প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। ককরোচ জনতা পার্টির তরফ থেকে তাঁকে দলে স্বাগত জানিয়ে বলা হয়, ‘১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ই এই দলে যোগ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট যোগ্যতা।’

    এর পরেই আরও এক তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রও ‘অ্যান্টি ন্যাশনাল পার্টি’-র কার্ডহোল্ডার সদস্য হিসেবে ঠাট্টা করে এই দলে যোগ দেওয়ার আর্জি জানান। ব্যঙ্গাত্মক এই ফ্রন্টটি মহুয়াকে ‘গণতন্ত্রের লড়াকু যোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে স্বাগত জানায়।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের এক নতুন ধারা তৈরি করল। যদিও বিতর্কের মুখে পড়ে গত শনিবার প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করেছেন, তাঁর মন্তব্য বিকৃত ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে সংবাদমাধ্যমে। তিনি বেকার যুবক-যুবতীদের নিশানা করেননি। তিনি সমালোচনা করেছিলেন ‘ভুয়ো ডিগ্রিধারী’ ও ‘পরজীবী’দের। তবে তার আগেই এই বিতর্কের জল গড়িয়ে গিয়েছে বহুদূর।

  • Link to this news (এই সময়)