বাংলাদেশের জামাতিদের তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর, বুঝিয়ে দিলেন, অনুপ্রবেশকারীদের কপালে 'ব্যথা' আছে
আজ তক | ১৯ মে ২০২৬
বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ আটকানো বিজেপি-র অন্যতম ইস্যু ছিল বিধানসভা নির্বাচনের ভোটের প্রচারে। মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত আঁটসাঁট করার অ্যাকশন শুরু করে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার বাংলাদেশের জামাত ই ইসলামিকে সরাসরি নিশানা করলেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, 'আমি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হওয়াতে সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে বাংলাদেশের জামাতরা।'
'এবার তাড়িয়ে দেওয়ার পালা'
শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, 'আমি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস, সিপিএম, কংগ্রেস চো টেনশনে আছেই। তার চেয়েও বেশি চাপে পড়েছে বাংলাদেশের জামাতরা। দেখুন ভাই, আমি ভয় পাই না। তাই ওই সব চেষ্টা করেও লাভ নেই। বিজেপি যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সব পালন করব। আমার কাছে দেশ আগে। অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকায় চিহ্নিত করা হয়েছে। তারপর তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এবার তাড়িয়ে দেওয়ার পালা।'
বাংলাদেশের জামাতিদের চিড়বিড়ানি অনেক বেশি
বস্তুত, বিজেপি-র ছাব্বিশের প্রচারের একটি বড় অংশই ছিল, 'ঘুসপেটিয়া হঠাও' স্লোগান। অর্থাত্ অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াও। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'বর্ডারকে সুরক্ষিত করা, অ-ভারতীয়দের দরজা দেখিয়ে দেওয়া, অনুপ্রবেশকারীদের হটাও... যাও যেখান থেকে এসেছিল সেই রাস্তা দিয়ে ফেরত যাও। বাংলাদেশে যাও। আরে এখানকার তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস যত না চিড়বিড়ানি করছে, শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে বাংলাদেশের জামাতিদের চিড়বিড়ানি অনেক বেশি হয়ে গিয়েছে। আরে ভাই আমি ভয় পাওয়ার লোক নই। মাথা নোয়ানোর লোকও নই। ভয় দেখানোর কোনও দরকার নেই। বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা পুরো করার কাজ বিজেপির এই মুখ্যমন্ত্রী করবে। দেশ সবার আগে। দেশকে সুরক্ষিত রাখার কাজ বিজেপির এই সরকার করবে।'
ভবানীপুরে একটি ওয়ার্ডের জন্য তিনি কোনও কাজ করবেন না
ক্ষমতায় এসেই কাঁটাতারের জন্য বিএসএফ-কে জমি মঞ্জুর করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার। একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে ইমাম, মোয়াজ্জেমদের জন্য যে মাসিক ভাতা চালু করা হয়েছে,তাও বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। এমনকী ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, ভবানীপুরে একটি ওয়ার্ডের জন্য তিনি কোনও কাজ করবেন না। সেটি হল ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড। কিন্তু বাকি ওয়ার্ডগুলিতে ৭টি এমএলএ অফিস আগামী একমাসের মধ্যে চালু করে দেওয়া হবে। তাঁর কথায়, '৭৭ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষও আমার জনতা। পরে ভেবে দেখব। কিন্তু বাকি ৭টি ওয়ার্ডে এমএলএ অফিস আগামী একমাসেই চালু হয়ে যাবে।'